সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইনের প্রস্তুতি চলছে

পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইনের প্রস্তুতি চলছে

 



mrmedia24.blogspot.com প্রতিবেদক : প্রিমিয়ামসহ কোনো  কোম্পানীর শেয়ারের দর অফার মূলের চেয়েও যদি বেশী কমে যায় তবে ঐ কোম্পানী পুনরায় তার শেয়ার কিনতে বাধ্য হবে, এরকমই একটা আইন কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএসইসি, আর তা যদি হয় তবে শেয়ার বাজারের কারসাজি অনেকাংশেই কমে যাবে বলে ধারণা বিনিয়োগকারীদের ।

পুঁজিবাজারের বাইব্যাক আইন কার্যকর করার দাবি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের। বাইব্যাক আইনের খসড়াও প্রণয়ন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কিন্তু নানা কারণে সেই আইন কার্যকরা করা যায়নি। অবশেষে কার্যকর হতে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইন।

জানা গেছে, সম্প্রতি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এই বিষয়ে ফলপ্রসূ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাইব্যাক আইন কার্যকর করার বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। ফলে শিগগিরই কার্যকর হচ্ছে শেয়ারবাজারে বইব্যাক আইন।

এই বিষয়ে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে বাইব্যাক পদ্ধতির প্রচলন আছে। তবে দেশের বিদ্যমান কোম্পানি আইনে তা অনুপস্থিত। এই আইনে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দর কমে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে সেই শেয়ার ক্রয় করতে হবে। এটি কার্যকর হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। এছাড়া কোন কোম্পানি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে আসলে, পরবর্তীতে শেয়ারের দাম কমে গেলে সেই কোম্পানিকে শেয়ার কিনে নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বাইব্যাক বা শেয়ার পুনঃক্রয় হচ্ছে একটি বিধান। যার আওতায় কোনো কোম্পানির শেয়ার মূল্য যদি অফার মূল্যের (প্রিমিয়ামসহ) নিচে নেমে যায় বা কমে যায় তবে ওই কোম্পানি কর্তৃক স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শেয়ার পুনঃক্রয় করতে বাধ্য থাকবে।

সূত্রঃ শেয়ারবাজারনিউজ.কম

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

 শেয়ার বাজার থেকে Money Make করার কৌশল!! ৬ষ্ঠ পর্ব

শেয়ার বাজার থেকে Money Make করার কৌশল!! ৬ষ্ঠ পর্ব

শেয়ার বাজার থেকে Money Make করার কৌশল!! ৬ষ্ঠ পর্ব
।।কে এম মিজানুর রহমান।।

Trailing stop and Stop loss

ফ্লোরে আটকে থাকার কারণ ও তার প্রতিকার
আমরা অনেকেই এখন বেশীর ভাগ বিনিয়োগকারী ফ্লোরে আটকে আছি, কারণ কি? অনেকগুলো কারণের মধ্যে স্টপ লস না নেয়া সব চেয়ে বড় কারণ। একজন বিনিয়োগকারীর স্টপ লস না নেয়া অনেক বড় ভুল, আজকে দেখাবো কিভাবে স্টপ লস নিতে হয়। স্টপ লস দুই ভাবে নেয়া যায়, ম্যানুয়ালী ও অটো, বা ট্রেইলিং স্টপ ও এটিআর সেট করা।
ট্রেইলিং স্টপ কি, এবং কেনো?
আমি এর আগে কোনো এক পোস্টে কিভাবে এমা সেট করতে হয় তা শিখিয়েছি। ৯ এমা লাইনকে ঘিরে পরবর্তী দরকে অনুসরণ করাই হলো ট্রেইলিং আর একটা নির্দিষ্ট দরে বেঁধে দেয়া(যেমন ১০%বা ৮%) সেল করার চিন্তাই হলো স্টপ, যতোক্ষণ না ১০% বা ৮% দর না কমে ততোক্ষণ আমি বিক্রী করবো না, এ রকম ধারণা পোষণ করে শেয়ারকে ধরে রাখাকেই মূলতঃ ট্রেইলিং স্টপ বলা হয়। এখানে মনে রাখা দরকার যে সব শেয়ার কিন্তু ট্রেইল অনুসরণ করে উর্ধ্বগামী হয় না। কিছু কিছু শেয়ার হয়।
কিছু কিছু শেয়ার আছে যা বছর জুড়েই বাড়ে আর কিছু কিছু শেয়ার আছে অল্প কিছুদিন বেড়েই আর বাড়তে পারে না। যে শেয়ারগুলো বছর জুড়েই বাড়ে সে গুলোতে মূলতঃ ট্রেইলিং স্টপ সেট করতে হয়। একটু সহজ করে বলি, ধরুন আপনি একটা শেয়ার কিনেছেন ৫০.০০টাকায়, সেল টার্গেট সেট করলেন ৬০.০০টাকা, লাভ প্রায় ২৩শতাংশ, এরপর সত্যি সে শেয়ার দর ৬০.০০টাকা উঠলো আপনি তা বিক্রী করে দিলেন, কয়েকদিন পর দেখা গেলো ঐ শেয়ারটা ৮০ টাকায় উঠেছে কেমন লাগবে আপনার? যদি তা আবার ১৫০.০০ টাকা হয় তখন? শুধুই আফসোস হবে, আহা যদি এখনও থাকতো? সি পার্ল এর শেয়ারটার কথাই ধরুন না মাস চারেক আগেও ৪০.০০ /৪৫.০০ টাকা ছিলো এখন কতো? এরকম এক সময়ের Beximco, Imam button, Metrospin, HR text, Al-haj tex, , এরপর Sonali Paper, Anwar galvanising, Sonali Ansh, Orion Infusion, , BPML Monospool, Paper processing, BD com, BD Lamp ADN tel, Genexil, EGEN, Saport, Sinobangla ইত্যাদি ইত্যাদি শেয়ার অনেক বেড়েছিলো এবং বাড়ছে, এরকম দুই চারটা শেয়ার সব সময়ই আমাদের বাজারে থাকে, ইমাম বাটন কেনো রেখেছি জানেন? এ শেয়ারটার প্রোডাকশন বন্ধ, অফিস তালা দেয়া, তার পরেও বেড়েছে, এগুলোর ফান্ডামেন্টালী কোনো ভিত নাই তবুও বেড়েছে, তবে আমি বলবো এসব শেয়ারে এন্ট্রি না নেয়া, একবার কোনোভাবে আটকে গেলে আর বেরুতে পারবেন না। এসব শেয়ার বাছাই করতে আমাদের দেশের বিভিন্ন এ্যাপস বা বিদেশী সফটওয়্যার ইনভেস্টিং.কম-এর পারফরমেনস্ স্ক্যান করলেই পাওয়া যায়। টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিসেও এগুলো ধরা পড়ে, এ শেয়ারগুলোর খুব একটা ফান্ডামেন্টাল দরকার পড়ে না, মামুরা থাকলেই হলো, মামুরা কোথায় থাকে? সবাইতো আর মামুদের খুঁজে পাবেন না, তবে টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিসে আপনি মামুদের খুঁজে পাবেন। সে যেখানেই থাকুক না কেনো, স্ক্যান করে তাদের ধরতে পারবেন। দর ভলিয়ম এবং বাড়ার মুভমেন্ট দেখলেই এসব শেয়ার খুঁজে বের করা যায়। এসব শেয়ারের দর কি আজীবন বাড়তেই থাকবে? অবশ্যই না, এজন্যই দরকার ট্রেইলিং স্টপ সেট করা, কিভাবে? সেটাই আজ দেখাবো।
ট্রেইলিং স্টপ সেট করার নিয়মঃ
চিত্রঃ সি পার্ল (নীচের চিত্র)
আমরা জানি, কোনো শেয়ার অনেক দিন/বছর সাইডওয়েতে থেকে যদি আমাদের সেট করা ৪টা এমা স্প্রেড করে তবে সেই শেয়ার দর অনেক বাড়ে এমনই একটা শেয়ার সি পার্ল।
আমরা এই সিপার্ল শেয়ারটায় ট্রেইলিং স্টপ সেট করবো, ধরি এই শেয়ারটা আমি ৫০.০০ টাকায় কিনলাম, সেল টার্গেট ৬০.০০ টাকা, শেয়ারটার দর ৬০.০০ টাকায় উঠলে আমি বিক্রী করে দিলাম, এরপর দর বাড়তে থাকলো শেয়ারটি সর্বোচ্চ ১৯৪.৫০টাকা উঠেছিলো, ৬০.০০ টাকা বিক্রয় করার পর প্রায় ৩গুণ লাভ থেকে বঞ্চিত হলেন, মনে হচ্ছে ১০০/-টাকায় যদি বিক্রী করতে পারতাম তবুও অনেক লাভ হতো, কিন্তু আগে থেকেতো জানা যায় না যে এই শেয়ার ১০০টাকায় উঠবে-ট্রেইল অনুসরণ করে ধাপে ধাপে বাড়ে, যতদিন চাহিদা থাকে ততো দিন বাড়ে তাহলে কি করা? সেটাই দেখাচ্ছি।
এখানে আমি ১০% ট্রেইলিং স্টপ সেট করবো
১০%=(১০০-১০)/১০০=.৯টাকা
নো রিস্ক নো গেইন, আমি ১০শতাংশ লস স্বীকার করে শেয়ার কিনছি
৫০টাকার ১০% =৫০x.৯=৪৫টাকা, এর অর্থ কি দাঁড়ালো? শেয়ারটি আমি ৪৫.০০ টাকায় এলে বিক্রী করবো নইলে বিক্রী করবো না, দর বাড়ছে ৪৫.০০ টাকায় কিন্তু আর আসলো না, বাড়তে বাড়তে শেয়ারটা ৬০.০০ টাকায় উঠে গেলো আর আপনার বেঁধে দেয়া দরে পৌঁছে গেলো আপনি বিক্রী করে দিলেন, আমরাতো জানি শেয়ার বাজার ঝুঁকির বাজার ঝুঁকি নিতেই হয় তবে উল্টা-পাল্টা ঝুঁকি নিলে চলবে না, এখানে আবার ঝুঁকি নেবো ঐ শেয়ারটার চাহিদা বুঝে যেহেতু ভলিয়ম দেখে বোঝা গেছে চাহিদা আছে তাই আবার ঝুঁকি নেবো আবার নতুন করে ট্রেইলিং স্টপ সেট করবো তাহলো ৬০x.৯=৫৪.০০টা, অর্থাৎ ৫৪.০০ টাকায় এলে বিক্রী করবো নইলে না, আমি আবার অপেক্ষা করছি কয়দিন পর দর উঠলো ৮৫.০০ টাকা, আপনার ফুর্তি কিন্তু বেড়ে গেছে ৫৪.০০ টাকায় না এসেই ৮৫টাকা হলো, আবার স্টপ লস দিন ৮৫x.৯=৭৬.৫০ এইভাবে স্টপ লস দিতে দিতে ট্রেইল ধরে এগিয়ে যান ৭৬.৫০টাকায় দর না এসে দর হলো ১০০.০০টাকা এবার কি করবেন? আপনিই সিদ্ধান্ত নিন বিক্রী করবেন নাকি আবার ট্রেইলিং স্টপ সেট করবেন?
তবে দর বেশী ওপরে উঠে গেলে ৫শতাংশ ট্রেইলিং স্টপ সেট করুন অর্থাৎ ঐ দরকে .৯৫ দিয়ে গুন করুন, আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।
স্টপ লস!!
কিছু কিছু শেয়ার আছে সেগুলো ২/৪দিন বাড়ার পরেই আর বাড়তে পারে না, আমি বলি ২/৪ দিন বাড়ার পরেই বিক্রী করে দিন, বা যেদিন দর কমা শুরু হয়, এবং শেষ পর্যন্ত দর আর ধরে রাখতে পারে না, তখন বিক্রী, বাঁকী লাভ আরেক ভাই/বোন করুক। যারা কোনো এ্যানালাইসিস জানেন না, এটা তাদের জন্য, এটা এক ধরনের মনোস্ত্বাত্তিক স্টপ লস, তবে অবশ্যই আপনাকে আগে কেনা শিখতে হবে, এমন সময়ে কিনতে হবে যাতে আর না কমে, বিশেষ করে সাপোর্ট লাইনে এসে দর ও ভলিয়ম বাড়তে থাকলে তখন ক্রয়।
স্টপ লস সেট করতে এটিাআর (ATR=Average True Range)
নিয়ম প্রায় একই, এটা জানতে কিছুটা টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিস জানতে হয়। প্রথমে যে কোন ব্রাউজ ওপেন করে চার্ট আনতে হয়, আমি https://stocknow.com.bd/chart এর চার্ট নিয়েছি, এটা সবার জন্যই উন্মুক্ত। এর পর মেনুর Indicator থেকে ATR (Average True Range) ইন্ডিকেটর সেট করেছি, টাইম ফ্রেম সেট করেছি ১ দিনের, শেয়ার নিয়েছি BNICL, স্টকটা সাপোর্ট লাইন থেকে দর বাড়া শুরু হয়েছে আমি কিনেছি ১৪ই নভেম্বর, ক্রয় দর ছিলো ৫৯.০০টাকা ঐ দিন ১৪ পিরিয়ডের ATR Value ছিলো ৩.৬০টাকা (যখন যেকোনো দিনের ক্যান্ডেলস্টিক-এর ওপর মাউস নিলে সেই সময়ের ATR Value স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবো)। এখন আমি ক্রয় দর ৫৯.০০টাকা থেকে ATR Value ৩.৬০ টাকা বাদ দিবো। ৫৯.০০-৩.৬০= ৫৫.৪০ টাকা অর্থাৎ সেল দর ৫৫.৪০-এ আসলে বিক্রী করবো নইলে বিক্রী করবো না এরপর ১০% বাড়লে আবার আরেকটা স্টপ লস সেট করবো। যদি বাড়তেই থাকে তবে ধাপে ধাপে স্টপ লস (ATR Value বাদ দিয়ে) সেট করবো, রিস্ক নিতে না চাইলে আপনার কাংক্ষিত লাভ হলে বিক্রী। যারা এ্যানালাইসিস বোঝেন না তারা রিসেন্ট হাই প্রাইস (৬৯.০০টাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। এর পর থেকে এভাবে স্টপ লস সেট করলে আশা করি ফ্লোরে পড়ে থাকতে হবে না। আজ এ পর্যন্তই, সবার জন্য শুভকামনা, আল্লাহ হাফেজ।
নিচের চিত্রঃ Sear pearl and BNICL

মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩

বিষ্ময়কর! কি দুঃসাহস!!

বিষ্ময়কর! কি দুঃসাহস!!


চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাকিবুল ভাই আবারও ১০ লাখ টাকায় ৮ দিনের মাথায় লাভ করলেন ২লক্ষ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা

এর আগে রাকিবুল ইসলাম ভাই জি কিউ বলপেনে  ১০লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৮ দিনে আয় করেছিলেন ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা! এতে অবোধ শফিকুল  ইসলাম নিম্নোক্ত মন্তব্য করে, রাকিবুল ইসলামকে লেখেন আরেকটি বাই করেছি-দেখাবো  ইনশা আল্লাহ!

আমার শিক্ষার্থীদের সাথে কি কথা বার্তা হয় তা আপনারা আমার DSE Money Maker ইউটিউব চ্যানেল বা ওয়েবিনারে শুনেছেন, যারা শোনেন নাই তারা দেখে নিতে পারেন। এবারে আরো অবাক করার মতোই বিষ্ময়কর ঘটনার জন্মদিলেন সিরাজগঞ্জের বিনিয়োগকারী Md. Rakibul Islam Khan, বিনয়ী, ভদ্র, নির্লোভ, সত্যবাদী, পরিশ্রমি সচেতন, সময়ের কাজ সঠিক সময়ে সঠিক সময়ে সম্পন্ন করতে পারেন যিনি, যে ধরণের বিনিয়োগকারী খুঁজি আমি তার সব গুণই তার মধ্যে আছে, তিনি শুধুমাত্র ওয়েবিনারে ফ্রি ক্লাস করে কয়েক দিন আগে জিকিউ বলপেনে ১০লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৮ দিনে আয় করেছিলেন ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা! যা আমি DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপে জানিয়েছি, উনি হেটার্সদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ২৩শে অক্টোবর, আবারও প্রায় ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে আরেকটি শেয়ার (Ambee Pharma, ক্রয় ১০২০/-টাকা ২৩ অক্টোঃ- বিক্রয় ১২৫০/- ৩০ অক্টোঃ বন্ধ দিনসহ) বিক্রী করে লাভ করেছেন ২লক্ষ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা, আমার ওয়েবিনার থেকে শিখে অনেকে ভালো লাভ করছেন, শুনছি কেউ কেউ এগুলো দিয়ে ব্যবসাও করছেন আবার নেগেটিভ হেটার্সরা এটা বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু এটাই চরম সত্য. বিশ্বাস করুন আমি একটুও মিথ্যে বলছি না বিশেষ করে যারা আমার ফলোয়ার, বন্ধু বা যারা ওয়েবিনারগুলো দেখেন তাদের মনে হয় অবিশ্বাস করার কারণ নেই।

তাহলে ১৫দিনে ১০ শতাংশ লাভ করা কি কঠিন? যদিও বাজার খারাপ!!

অপার সম্ভাবনাময় শেয়ার বাজারে সবাই কি লাভ করতে পারে? পারে না, তবে কেউ কেউ পারে, বাজার ভালো হোক বা খারাপ হোক, অনেকে খারাপ বাজারের জন্যই অপেক্ষা করে, লাভ বেশী হয়। আমার ওয়েবিনারগুলোতে আমি বার বার আপনাদের বলে আসছি শেয়ার বাজার একটা বিশাল ধনভান্ডার, যেখানে টাকা উড়ে, সে টাকা ধরতে জানতে হয় বিশেষ কিছু কৌশল, যা না জানলে শেয়ার বাজার থেকে লাভ করা খুবই কঠিন, গুণতে হবে শুধুই লস আর লস্। কিছু সিক্রেট কৌশল আছে যা বিশাল ধনভান্ডারের তালার একগুচ্ছ চাবির মতো, যার একটা কৌশল কোনো এক ওয়েবিনারে দেখিয়েছি ফেসবুকের লেখাগুলোতেও বেশ কয়েকটি কৌশল আপনাদের শিখিয়েছি তা দিয়েই কেউ কেউ লাভ করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এমনই একজন বিনিয়োগকারী Md. Rakibul Islam Khan যিনি আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মেসেজে জানিয়েছেন-

আরেক অধম এমন কু মন্তব্য করেছে যে তা লেখা যায় না, অবশ্য তার প্রতিবাদও করেছেন যারা আমার শিক্ষার্থী ও আমাকে ভালোবাসেন। DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপে পোস্টের কমেন্টগুলো দেখুন।

রাকিবুল ভাইয়ের চ্যালেঞ্জের ফল


পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ

K M Mizanur Rahman Manik
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School of DSE Money Maker




রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৩

সিক্রেট মাইন্ড সেটঃ শেয়ার বাজার কবে থেকে ভালো হবে?

সিক্রেট মাইন্ড সেটঃ শেয়ার বাজার কবে থেকে ভালো হবে?

 

রশি বা দড়ি দিয়ে বাঁধা হাতি


ডিএসই ইনডেক্স ১৮+,বাঁধা পেরিয়ে ব্লাক সানডে আজ হোয়াইট সানডে হয়ে গেলো, মার্কেট এগিয়ে যেতে এটা একটা শুভ লক্ষণ
M R Media24: একটা গল্প দিয়ে শুরু করি, গল্পটা যদিও পুরোনো, একটা ছোট হাতিকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হতো, অনেক চেষ্টা করেও সে রশি ছিঁড়ে বেরোতে পারতো না, একটা নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যেই ঘুরাফিরা করতো, এক সময় সে এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লো, তার মাথায় সেট হয়ে গেল অর্থাৎ বিশ্বাস জন্মালো (মাইন্ডসেট) যে সে এর বাইরে আর যেতে পারবে না, একসময় রশি ছেঁড়ার চেষ্টা বাদ দিলো, বড় হওয়ার পরেও আর সে আর রশি ছেঁড়ার চেষ্টা করে নাই, যদিও সে খুব সহজেই এটা ছিঁড়ে ফেলতে পারতো।
আমাদের শেয়ার বাজারেও বেশীরভাগ মানুষের মাথার মধ্যে এই ব্যাপারটা ঢুকে পড়েছে। কোনো কিছু না শিখে না বুঝে শেয়ার বাজারে এসে শেয়ার কিনে লস করতে করতে এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তাদের মাথায় সেট হয়ে গেছে, যে শেয়ার বাজার থেকে লাভ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া বাজার কমাতে কিছুদিন পর পর কারসাজিকারকদের রশি যেমন ব্লাক সানডে, শেয়ার বাজারে কোনো সূত্র কাজ করে না, মুদ্রনীতি, বাজেট, বর্তমানে ইলেকশনের ধোঁয়া, এরকম অনেক অনেক রশি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের বেঁধে রাখা হয় যা ছিঁড়ে কেউ কেউ বেরিয়ে আসতে পারলেও বেশীরভাগ বিনিয়োগকার তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। দড়ি ছিঁড়ে আপন শক্তিতে যেদিন এই বৃত্ত থেকে সব বিনিয়োগকারী বেরিয়ে আসতে পারবে, মুক্ত জীবনের স্বাদ নিতে পারবে, নিজের মতো করে বাজারে ক্রয় বিক্রয় করতে পারবে, সেদিন থেকেই বাজার ভালো হবে।
জীবনে হার বলে কিছু নেই, দড়ি ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পারলেই আপনি জিতবেন, নইলে শিখবেন, তবে হার যেনো এমন না হয় যে আপনার সব পুঁজি শেষ হয়ে যায়!
K M Mizanur Rahman
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School of DSE Money Maker
Phone: 01631429169

সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

শেয়ার টকিজঃ বাজার কেনো এমন আচরণ করছে?

শেয়ার টকিজঃ বাজার কেনো এমন আচরণ করছে?

শেয়া কি!

কে এম মিজানুর রহমান মানিক
এ্যাডমিনঃ ডিএসই মানিমেকার
ফোনঃ ০১৬৩১৪২৯১৬৯

ডিএসইএক্স ইনডেক্স ৭-৮-২০২৩, ১২:০০টা

চিত্র দেখেই বোঝা যায় কেনো অস্বাভিক আচরণ করছে বাজার
মনে রাখবেন, শেয়ার বিক্রী না করলে কোনো দিনও আপনার লস হবে না বাজার অনেক ভালো হবে, যা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না ২/১ বছর দাঁতে কামড় দিয়ে পড়ে থাকুন, প্রতিজ্ঞা করুন লসে কোনো শেয়ার সেল নয়, দেখবেন বাজার অটোমেটিক ভালো হয়ে গেছে।

বাজার অনেক কমছে, ভয়ে গলা শুকিয়ে আসছে, আমি শেষ! আর বুঝি এখান থেকে বেরুতে পারবো না, ভয় নেই দেখছেনতো বাজার আপট্রেন্ডে প্রবেশে করেছে, বাজার অনেক ভালো হবে, আপনি বাজারে যেয়ে ভালো কোনো জিনিষ কিনতে গেলে কি করেন! দর কমানোর চেষ্টা করেন, তাইনা!! এখানেও তাই হয়।

আমাদের শেয়ার বাজারটা খুবই ছোট, এই ছোট বাজারে অশিক্ষিত তথা বোকা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা অনেক বেশী, আর বোকাদের ফাঁদে ফেলা যতো সহজ শিক্ষিতদের ততো সহজ নয়, আর ফাঁদে ফেলার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে খুব সহজেই কারসাজিকারকরা তাদের কাছ থেকে শেয়ারগুলো হাতিয়ে নিতে পারে, যার ফলে বাজার উল্টা পাল্টা আচরণ করে, এই সুযোগে বোকাদের কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত বিনিয়োগকারীরা খারাপ বাজারেও প্রচুর প্রফিট করে, যার উদাহারণ আমি আপনাদের দেখিয়েছি গত ১১তম ওয়েবিনারে।

এই সময়ে বিশেষ করে জুন মাসের পর থেকে বাজার কমার তেমন কোনো ইস্যু থাকে না, এবার ইলেকশন টেকনিক্যাল ইস্যুর মূলা ঝুলিয়ে শেয়ারগুলো হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা চলছে।

আপনারা জানেন যে বাজারের একটা ধর্ম আছে, আর তা হলো বাড়া আর কমা, বাড়ার পরে কমবে আর কমার পরেই বাড়বে, অতএব সহজেই বোঝা যায়, গত দুইদিনে সূচক যেহেতু ২৭ পয়েন্টের ওপরে কমেছে, এবং এখন ১:২০মিনিট আমার লেখা চলাকালীন বাজার আরও ১৪ পয়েন্ট মোট  ৪১ পয়েন্ট কমে গেলো সাম্প্রতিক সময়ে এতো বেশী পয়েন্ট কমে নাই, তাই দেখবেন বাজার খুব দ্রুতই ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

আপনার জানেন বাজার আগের রেজিস্ট্যান্সে পৌছে গিয়েছিলো তাই এখন কমছে, তবে কমার হারটা বেশী, ভয়টা এখানেই, নিয়ম অনুযায়ী বাজারে যেভাবে কমছে সেভাবেই উঠে যাবে শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই বাজারের বর্তমান আচরণের প্রেক্ষিতে বলছি শয়তানি করা ছাড়া বাজার কমার সম্ভাবনা ছিলো না, তবুও কমছে, খুব সম্ভব ২/১ দিনেই মধ্যেই বাজার ঘুরে দাঁড়াবে। যেভাবে কমছে সেভাবেই বেড়ে যাবে।

আপনারা এও শুনেছেন যে কখনও কখনও ইন্ডিকেটর কাজ করেনা. কারণ কি? বোকাদের বোকামীর কারণে অনেক সময় তা লন্ড ভন্ড হয়ে যায়। বাজার যা আচরণ করে ইন্ডিকেটরে তাই ধরা পরে। আগে বাজার, তার পরেই তৈরী হয় ইন্ডিকেটর, তাই আগে বাজার সম্বন্ধে ভাবুন তার পরে ইন্ডিকেটরকে প্রাধান্য দিন। যেহেতু বাজারটা খুবই ছোট তাই যে কেউ বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে। নতুন নতুন কিছু এ্যানালিস্ট তৈরী হয়েছে যারা উল্টা পাল্টা এ্যানালাইসিস করে ছক আঁকে, দেখায় যে বাজার কমে যাবে, আর মূর্খ বিনিয়োগকারী না বুঝে তাদের কথা বিশ্বাস করে সেল দিয়ে দেয় আর বাজার পড়ে যায়। এই সুযোগ কারসাজীকারকরা কম দামে কিনে বেশী বেশী লাভ করার সূযোগ পায়।।

মনে রাখবেন, শেয়ার বিক্রী না করলে কোনো দিনও আপনার লস হবে না। বাজার অনেক ভালো হবে, যা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। থাকুন না / বছর দাঁতে কামড় দিয়ে, প্রতিজ্ঞা করুন লসে কোনো শেয়ার সেল নয়, দেখবেন বাজার অটোমেটিক ভালো হয়ে গেছে।

রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?

 



শেয়ার টকিজ!!

বিশেষ প্রতিবেদন
K M Mizanur Rahman
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School of DSE Money Maker

 

বাজার ভালো হবেই, চাই সবার সচেতনতা!
আমরা কি পেতে পারি না কমপক্ষে ২০,০০০ সূচক?
উন্নয়নের কতটা প্রভাব পড়ছে দেশে!
ভয় নাই যারা ফ্লোরে আটকে আছেন
বাংলাদেশের স্টক মার্কেট সূচকের সাথে যাদেরক তুলনা করা যেতে পারে
বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের ইতিহাস কি বলে?
২০২৪ সাল বড় উত্থান হতেও পারে!! 
বাংলাদেশ এখন যে ধরণের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশটি হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনোমিক্স এন্ড বিজনেস রিসার্চ তাদের এক রিপোর্টে এই পূর্বাভাস দিয়েছিলো। 'ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবল ২০২১' নামে এই রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়, সেই একই গবেষণা সংস্থ্যা ২০২৩ সালের রিপোর্টে বলেছে ২০৩৭ সাল হবে বিশ্বের ২০তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০২০ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান ছিলো ৪১ নং-এ, বর্তমানে ৩৫, ৩ বছরে এগিয়েছে ৬ ধাপ অর্থাৎ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, তা যদি হয় তবে আমাদের শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?
এই রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৩০ সালে চীন হবে বিশ্বের এক নম্বর বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, আর ভারত হবে তৃতীয়। তার মানে দাঁড়ালো চীন ভারতের বাতাস বাংলাদেশের গায়েও এসে লাগবে। আর ২০৩৫ সাল নাগাদ ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বহু ধাপ উপরে উঠে পৌঁছে যাবে ২৫ নম্বরে, তার ২ বছর পরেই ২০ নম্বরে, কি মনে হয়? বাংলাদেশ কি এগুচ্ছে?
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে গুজব উঠেছিলো বাংলাদেশ শ্রীলংকার মতো দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে, এখন আর তা শোনা যায় না, কারণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সূচক এখন ইতিবাচক। সংকটের মধ্যেও ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি আয় বেড়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। এক কথায় এগিয়ে যাচ্ছে বালাদেশ।
যেসব অর্থনীতিকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে যাবে তার মধ্যে আছে মালয়েশিয়া, মিশর হংকং, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নরওয়ে, আর্জেন্টিনা, ইসরায়েল, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, নাইজেরিয়া, বেলজিয়াম, সুইডেন, ইরান এবং তাইওয়ান। বর্তমান বিশ্ব সূচকে এই দেশগুলো বাংলাদেশের উপরে, কারণ তাদের অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে বড়। তথ্যঃ বিবিসি বাংলা
উন্নয়নের কতটা প্রভাব পড়ছে দেশে!
শহরে কাজের বুয়া কি সহজে পাওয়া যায়? খুবই কম, গ্রামে মজুরও আর সহজে পাওয়া যায় না, একটা রাখাল রাখতে গিয়ে কৃষকের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়? কারণ হলো গার্মেন্ট শিল্পের প্রসার ও প্রবাসে মজুরদের চাকরির সুযোগ। ফলে শহর ও গ্রামাঞ্চলে একটি অর্থনৈতিক বুম ঘটছে। তবে বেশীরভাগ শিক্ষিতরা কিন্তু বেকার!! তারা খুবই অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে, না পারছে নিচে নামতে, না পারছে ওপরে উঠতে, তবে যারা চালাক-চতুর তারা কিন্তু বসে নেই, ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো আয় করছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ভালো প্রভাব পড়ছে, এ ছাড়াও রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক শিল্পের ঘোড়ায় চড়ে ছুটছে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি। তাহলে শেয়ার বাজার কেনো পিছিয়ে থাকবে?
কানাডাভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ দেখিয়েছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৪৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৪৬ হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও অস্ট্রিয়ার মতো দেশ। আর ঠিক পরেই আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম, তার মানে আমারা মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম থেকে এগিয়ে আছি। তা যদি হয় শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?
দেশের অর্থনীতির সূচকের প্রতিফলন দেখা যায় পুঁজিবাজারে, আমাদের পুঁজিবাজারে আসলে কি তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে? আমি বলবো অবশ্যই না, পতঙ্গ যেমন না বুঝে আগুনে ঝাঁপ দেয় তেমনি আমাদের দেশের অধিকাংশ বিনিয়োগকারী না জেনে, না বুঝে নিজের কষ্টার্জিত জমানো টাকা শেয়ারবাজারে বিনোয়োগ করেন, তাদের অজ্ঞতার সুযোগে কিছু কারসাজীকারক তাদেরকে খুব সহজেই ঠকিয়ে অর্থাৎ ২০টাকার শেয়ার ৩০০টাকায় ধরিয়ে দিয়ে বাজার থেকে টাকা বের করে নেয়, আর সূচক বাড়তে পারে না। আমি বলবো এ দিন আর থাকবে না, যদি সাধারণ বিনিয়োগকারী সচেতন হয়, তবে সচেতনতা বাড়াতে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও শেয়ার বাজার সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে বা এগিয়ে আসতে হবে।
শেয়ার বাজারের একটা গতিবেগ আছে যাকে বলা হয় মোমেন্টাম, যার গতি আছে তা কখনও একটানা চলতে পারে না, যায়, থামে, থেমে যায় আবার চলে বিশ্রামের প্রয়োজন হয়, সেইরূপ আমাদের বাজারের অধিকাংশ শেয়ার ফ্লোরে বিশ্রাম নিচ্ছে, অনেকেই উদ্বেগে আছে, কবে ফ্লোর ছেড়ে উঠে দাঁড়াবে, জীবজন্ত থেকে শুরু করে যে কোনো যানবাহন সবাইকেই বিশ্রাম নিতে হয়, শক্তি নিতে হয়, ফুয়েল নিতে হয়, ফুয়েল নেয়া শেষ হলেই আবারও গতি পায়, মনে স্বস্তি আসে, তেমনি শেয়ার বাজার ফুয়েল নিচ্ছে আবার ভালো হবে, আবারও গতি পাবে ইনশাল্লাহ্।
ভয় নাই যারা ফ্লোরে আটকে আছেন

বাংলাদেশের স্টক মার্কেট সূচকের সাথে যাদেরকে তুলনা করা যেতে পারে

যেসব অর্থনীতিকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে যাবে তার মধ্যে আছে মিশর যার স্টক ইনডেক্স ১৭,০৪৩.৬২, মালয়শিয়া স্টক ইনডেক্স ১৩,৪৫২.৯২, হংকং ১৮,৭৪৬.৯২, তাহলে বাংলাদেশের সূচক ২০,০০০ ছাড়াবে এতে মনে হয় সন্দেহ থাকার কথা না, শুধুই সময়ের ব্যাপার, তাই যারা আজ ভালো শেয়ার কম দামে কিনে ফ্লোরে আটকে যাওয়াও মহা চিন্তায় আছেন, তারা যদি ভাবেব টাকা গুলো ইনভেস্ট করেছেন তাহলে ক’বছর পর যা রিটার্ন দেবে তা আপনাদের কল্পনার বাইরে। তখন আমার কথার সত্যতা বুঝতে পারবেন।
২০১০সালের ডিসেম্বরে ডিএসই সূচক ছিলো প্রায় ৯০০০ সেখানে থেকে কমে ২০১৩ সালের এপ্রিলে ৩৪০০তে এসেছিলো, ১৩ বছরে এখন পর্যন্ত ২০১০ সালের সূচকই ছুতে পারে নাই, অথচ ২০০৮ সালে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সেনসেক্স সূচক ছিলো মাত্র ৭৬৯৭.৩২, ১৫ বছরের ব্যবধানে সেই সূচক আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১,৮৭২.৬২, প্রায় ৯ গুণ, দেউলিয়া দেশ, শ্রীলংকার ইনডেক্স ৮৭৫৫.১৭, বাংলাদেশ পাকিস্তানের উন্নয়নের রোল মডেল, ২০০৯ সালে পাকিস্তানের সূচক ছিলো ৬,২০০.৮৯, সেই পাকিস্তানের স্টক মার্কেট সূচক ১৪ বছর পর এখন ৪১,০২৯.০২, বাড়লো প্রায় ৭ গুণ, সেখানে বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের সূচক মাত্র ৬৩২৫.৭৩ খুবই হাস্যকর নয়কি? বাংলাদেশের সূচক যদি পাকিস্তানের অর্ধেকও ধরি তবে সূচক কমপক্ষে ২০,০০০.০০ হওয়া উচিৎ আপনারা কি বলেন?
বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের ইতিহাস কি বলে?
২০২৪ সাল বড় উত্থান হতেও পারে!!
সামনে ইলেকশন, ইলেকশনের পরে নতুন সরকার আসবে, স্থিতিশীলতা আসবে, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ হয়ে যেতে পারে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি যদি ভালো হয়, তবে আমাদের শেয়ার বাজারও ভালো হবে এছাড়া এতোক্ষণ যে তথ্য উপাত্তগুলোর শেয়ার করলাম তাতে বাজার ভালো হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই প্রবল, বাজার কিন্তু কচ্ছপ গতিতে হলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে, ২০১০ সালের ধ্বসের পর সূচক ৩৪০০তে নেমে বর্তমানে ৬৩২৫.৩৭, অর্থাৎ বাজার কিন্তু আপট্রেন্ডে আছে, তবে গতি খুবই কম। এই কচ্ছপ গতির কারণ হলো কারসাজিকারকদের কারণে বেশ কিছু টাকা বাজার থেকে বেরিয়ে গেছে, এখন যদি বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা তৈরী হয়, তবে বাজার আর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা নাই, শেয়ার বাজার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে, আমরা যদি আমাদের শেয়ার বাজারের ইতিহাসের দিকে তাকাই তবে দেখবো ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের বড় উল্লম্ফন হয়েছিলো, তার পরে দেখলাম ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের উল্লম্ফন, যা আমি ইউটিউবে প্রকাশিত ১০ম/১১তম ওয়েবিনারে বলেছি, ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের ব্যবধান ১২ বছর, ১৯৯৬ থেকে ২০১০ সালের ব্যবধান ১৪ বছর, ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল, ব্যবধান ১৪ বছর তার মানে বর্তমান সময় থেকে আগামী ২/৪ বছরের মধ্যে পাকিস্তান-ভারতের মতো আমাদের শেয়ার বাজারে একটা বড় উল্লম্ফন হলেও হতে পারে, সে আশা আমরা করতেই পারি কি বলেন?


শনিবার, ২০ মে, ২০২৩

কোর্স শিডিউলঃ স্কুল অব ডিএসই মানি মেকার

কোর্স শিডিউলঃ স্কুল অব ডিএসই মানি মেকার

 


SDMM, Batch-10

এ্যাডমিন বা মেনটরের কথা

প্রিয় বিনিয়োগকারী বন্ধু,

School of DSE Money Maker অনলাইন কোর্সে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ’ শেখার আগ্রহ প্রকাশ করার জন্য স্বাগতম।

আপনার ওপর মহান সৃষ্টিকর্তার শান্তি বর্ষিত হোক, শেয়ার বাজার একটা বিশাল ধনভান্ডার, যেখানে টাকা উড়ে, সে টাকা ধরতে জানতে হয় বিশেষ কিছু কৌশল, যা না জানলে শেয়ার বাজার থেকে লাভ করা খুবই কঠিন, গুণতে হবে শুধুই লস আর লস্। শেয়ার বাজার থেকে প্রচুর আয় করতে আমি আপনাদের কিছু কৌশল শিখাবো, এ কৌশলগুলো একদম ইউনিক, একান্তই নিজস্ব। এগুলো যেন বিশাল ধনভান্ডারের তালার একগুচ্ছ চাবির মতো, শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে লাভ করতে যে কৌশলগুলো দরকার এ বিশেষ কোর্সে আশা করি তা পূর্ণ হবে। সেই কৌশলগুলো শিখে আমার শিক্ষার্থীরা এখন আয় করছে আনলিমিটেড। আমার শিক্ষার্থীরা ভিষণ খুশি। শিক্ষার্থীদের সাথে কি কথা হয়, লাভ করতে পারে কি না? তা জানতে আমার ইউটিউব চ্যানেল “DSE Money Maker”-এ ’Conversation with DSE Money Maker’ দেখুন, এ ছাড়াও DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপে আমার লেখাগুলো দেখলেও বুঝতে পারবেন।

তারা এখন শিখেছে কোন্ শেয়ারে বড় বিনিয়োগকারী আটকে আছে, কখন তারা প্রবেশ করছে (কিনছে) বা বেরিয়ে যাচ্ছে, তাদের গতিবিধির ওপরে নজর রাখার কৌশল শিখেছে, তাদের সাথে থাকছে, তাই তারা খারাপ বাজারেও করেছে প্রচুর প্রফিট, ইনশাল্লাহ আপনিও পারবেন। যারা আমার ক্লাসে মনোযোগী হবেন এবং সহজ কিছু কৌশল আয়ত্ব করতে পারবেন। তাঁরা অনেক অনেক বেশী আয় করতে পারবেন। এ ছাড়াও আছে গ্রুপ স্টাডি করার সুযোগ। ভালো করলে স্পেশাল গ্রুপে যাওয়ার সুযোগ, যেখানে অভিজ্ঞরা শেয়ার কেনা ও বেচার দিক নির্দেশনা দেন।

 ক্লাস শিডিউল

ক্লাস হবে মোট ১২টা, সপ্তাহে ২ দিন, মঙ্গলবার ও শুক্রবার রাত ৯:০০-১১:০০টা, এছাড়াও কোর্স শেষে ৩ মাস স্পেশাল গ্রুপে সবার সাথে মতবিনিময় ও কনসালটেন্সির সুযোগ।

কোর্স ফি ১৫,০০০/-টাকা, ২টা ইন্সটলমেন্ট থাকবে, ক্লাস শুরুর আগে ১০,০০০/-টাকা, বাঁকী ৫,০০০/- টাকা কোর্স শুরুর ১৫দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। একবারে পরিশোধ করলে ১৩,০০০/-টাকা। যারা কনসালটেন্সি নিতে চান না তাদের জন্য কোর্স ফি ৮,০০০/-, একবারে পরিশোধ করতে হবে।

ছাত্র/ছাত্রী ও গৃহিনীদের জন্য কোর্স ফি ১০,০০০/-টাকা ৪ মাস ফ্রি কনসালটেন্সি।

ক্লাস শুরুর আগেই ফি পরিশোধ করে ভর্তি হতে হবে। ফি একসাথে পরিশোধ করলে ক্লাস শুরুর পর পরই স্পেশাল গ্রুপে যাওয়ার সুযোগ।

শিক্ষার্থীদের জন্য ফেসবুকগ্রুপ (প্রাইভেট), মেসেঞ্জার ও স্পেশাল মেসেঞ্জার (শিক্ষার্থীগণ যার নাম দিয়েছেন স্বপ্নপুরী) ৩টা গ্রুপ থাকবে, যেখানে ভিডিও, মেসেজ, খবর ইত্যাদি আদান প্রদান করা হবে। এ জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে। ক্লাস শুরুর আগে একবারে ফি পরিশোধ করলে বা নিজের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারলে ভর্তির পরেই স্পেশাল মেসেঞ্জার গ্রুপে এ্যাড হতে পারবেন। ক্লাস হবে অনলাইনে, গুগল মিট (google meet app)এ। তাই মোবাইলে গুগল মিট এ্যাপ ইনস্টল করে নিতে হবে। ক্লাসের গুগল মিট লিংক দেয়া থাকবে মেসেঞ্জার গ্রুপে।

দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টালে জীবন বদলে যায়

bKash/Nagad: 01631429169, এটাই একমাত্র বিকাশ নং

ব্যাংকেও টাকা পাঠাতে পারেন

যে কোনো সমস্যায় ফোন দিন।

স্পেশাল মেসেঞ্জার গ্রুপঃ এখানে ডাক্তার, প্রফেসর, বিসিএস ক্যাডার, সাংবাদিক, উকিল অবসরপ্রাপ্ত সরকারী/বেসরকারী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশাজীবির বিনিয়োগকারী আছেন, তাই কমেন্ট/মেসেজ আদান প্রদানে শালীনতা বজায় রাখতে হবে নইলে গ্রুপে থাকার যোগ্যতা হারাবেন। স্পেশালগ্রুপে প্রতি সপ্তাহে শনিবার এ্যাডমিন নিজে সব শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিটিং ক্লাস করেন, দূর্বল শিক্ষার্থীদের স্পেশাল কেয়ার নেন। পুনঃপ্র্যাকটিস করান, শিক্ষার্থীরা শেয়ার নিয়ে এ্যানালাইসিস, তথ্য সংগ্রহ, লাভজনক শেয়ার বাছাই করে সবাইকে সহযোগীতা করেন এবং বিনিয়োগ করেন।

কেনো লস্ হয়?

একবার ভেবে দেখেছেন কি? শেয়ার বাজারে ৯০-৯৮ শতাংশ বিনিয়োগকারী কেনো লস করেন?

পুঁজিবাজারে আপনাকে- প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বৈদেশিক বিনিয়োগকারী এবং ফটকাবাজদের সাথে প্রতিযোগিতা করে তবেই মুনাফা করতে হয় যা খুবই কঠিন।

শেয়ার বাজার সম্বন্ধে না জেনে বুঝে যারা অন্যের কথায় বা গুজবে শেয়ার কিনেছেন আর লস করেছেন বা ফ্লোরে আটকে পড়েছেন তারা আমার ক্লাসগুলো করলেই বুঝবেন এতোদিন কেনো লস করেছেন, আপনাকে বলতেই হবে- আগে কেনো শিখিনি তাহলেতো এই লসগুলো হতো না, এটা আমার কথা নয়, আমার শিক্ষার্থীদের কথা।

শিক্ষক ছাড়া যেমন অ আ, শেখা যায় না তেমনি মেন্টর ছাড়া শেয়ার বাজারে লাভ করা যায় না এটা ধ্রুব সত্য ।

"Anybody think it is easy to make profit from stock market, he is a stupid." কথাটা শেয়ার বিশেষজ্ঞদের

 কিভাবে শেয়ার ব্যবসায় এলাম!

আমার নাম কে এম মিজানুর রহমান মানিক, আমি বেক্সিমকো মিডিয়াতে কর্মরত ছিলাম, বেক্সিমকো টেক্সটাইল যখন ১ম আইপিওতে বাজারে আসে তখন এমপ্লয়ীদের জন্য কোটা থাকার সুবাদে আমার জন্যও কিছু শেয়ার বরাদ্দ হয়েছিলো, তখন শেয়ার বাজার  সম্পর্কে আমার কোন ধারণা না থাকায় আমি তা অন্য এক কলিগকে দিয়ে দিয়েছিলাম, পরে সে শেয়ারের আকাশ ছোঁয়া দর উঠেছিলো। ১৯৯৫ সালের শেষের দিকে যখন শেয়ার বাজার একটু একটু বাড়া শুরু হয় তখন তাঁরই পরামর্শে এ ব্যবসায় আসি এবং ৯৬ সালে এ ব্যবসায় প্রচুর প্রফিট করি (অবশ্য পরে কিছু লসও করেছি) তখন থেকেই তা নেশায় পরিণত হয়, এ নেশায় আজ পর্যন্ত ডুবে আছি। আমার অফিস আওয়ার ছিল ৬ ঘন্টা (সংবাদপত্রে ওয়েজবোর্ডভুক্ত সাংবাদিকদের) বাঁকী সময়টা শেয়ার বাজারের পিছনে সময় দিতে পেরেছি এবং এখনও তা করছি। আর এ ২৭ বছরের অভিজ্ঞতাই শেয়ার করছি আপনাদের।

শেয়ার কখন কিনবেন?

যে কোনো ব্যবসাতেই একটা উদ্দেশ্য থাকে আর তা হলো লাভ করা, লাভ কিভাবে করতে হয়? ক্রয় বিক্রয় করে, তাই মুল ফোকাস থাকবে ক্রয়-বিক্রয়কে কেন্দ্র করে। মনে রাখবেন শেয়ার কিনে আপনি বিক্রী করবেন, লাভ করবেন তাই শেয়ার বাছাইয়ে খুবই গুরুত্ব দেয়া হয়, এমনকি স্মার্ট বিনিয়োগকারীদের গতিবিধির দিকে কড়া নজর রাখতে হয়, তাদের সাথে সাথেই থাকতে হয়, তারা কখন কোন্ শেয়ার কেনে বা বেচে তাদের গতিবিধির দিকে সবাই মিলে লক্ষ্য রাখা হয়। সহজ কিছু ইন্ডিকেটর আছে যা দ্বারা সহজেই তাদের গতিবিধি ও শেয়ারের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া যায় । আমার কাজ হল আপনাদের শেয়ার বিষয়ক সঠিক শিক্ষায় শিক্ষা দেয়া এবং আমি তা করছি, তাই আমার শিক্ষার্থীগণ খুশি, অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায়ও আমার প্রশংসা করেন যা অনেকের কাছে ঈর্ষনীয় এবং আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমি অনন্য কিছু করতে চাই, যা একান্তই স্পেশাল, আমার ২৭ বছরের অভিজ্ঞতায়।

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন শেয়ার বাজার ঝুঁকির বাজার, যেখানে ৯০-৯৮ শতাংশ বিনিয়োগকারী লস করে। সেখানে টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম করতে হবে। পরিশ্রম বলতে লাভজনক শেয়ার খুঁজে বের করা, যা ভলিয়্যূম, প্রাইস ক্যালকুলেশন, ইন্ডিকেটরগুলোর প্যাটার্ন ও কিছু কৌশল এ্যাপ্লাই করে করতে হয়। এটুকু কাজ যদি আপনারা না করতে পারেন তবে বলবো আপনার জন্য শেয়ার ব্যাবসা নয়, এখানে একটু অমনোযোগী হলেই বা লোভ করতে গেলেই প্রচুর লস গুনতে হবে।  এটা করতে- যদি নিয়মিত ক্লাস করেন বা আমার কথা শোনেন তবে আপনি নিজেই আপনার পুজি নিরাপদ রাখতে পারবেন হারানো পুঁজি উদ্ধার করতে পারবেন এবং বাঁকী জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে হবে  না, ইনশাল্লাহ। আর আমিতো সাথে আছিই, যদি সৃষ্টিকর্তা বাঁচিয়ে রাখেন!!

অজানা পথ চলতে একজন সু-পরামর্শক বা মেন্টর দরকার, যার সাথে সঠিক পরামর্শ  বা কথা বলতে পারবেন। তা যদি না থাকে আপনি পদে পদে ভুল করবেন এটাই স্বাভাবিক। এখন আপনিই বেছে নিন  কে হবে আপনার সু-পরামর্শক।

আপনাদের যা লাগবে।

একটা ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার (অপশনাল)

স্মার্ট মোবাইল ফোন

গুগল মিট এ্যাপস

সম্ভব হলে আমার স্টক এ্যাপসটা কিনে নিবেন, ১ বছরের জন্য হলেও

মূল ফোকাসঃ বাই এবং সেল। লাভ করার জন্য যা খুবই দরকার।

প্রতি ক্লাসেই থাকবে বাজার পর্যালোচনা ও আপডেট

শেখানো হয় সহজ করে, কোন জটিলতা ছাড়াই, তাই বয়স্কদেরও শিখতে কোন সমস্যা নাই

প্রতি ক্লাসের ভিডিও দেয়া হয়

মূল ফোকাসঃ বাই এবং সেল=লাভ

 

যা শেখানো হবে

ফান্ডামেন্টাল এ্যানালাইসিস

টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিস

মনোস্তাত্ত্বিক এ্যানালাইসিস।

স্টক মার্কেটের দেশী ও বিদেশী কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা পরিচিতি

আজব সফটওয়্যার, যেন সোনার খনি

খারাপ বাজারেও লাভ করার কৌশল!! কিভাবে?

শেয়ার বাছাই করতে গেইনার/লুজার সেক্টর ভেলু দেখা

যে শেয়ারের দর বাড়বেই! আগে অথবা পরে

যে হিসেব সবচেয়ে কার্যকর, প্রফিট হবেই

যে শেয়ারের দর অনে..... বাড়ে, কিভাবে জানবো?

আগামীকাল কোন শেয়ার কিনবো?

 রয়েছে দেশি বিদেশী সফটওয়্যার ব্যাবহারের নিয়ম।

স্পেশাল ইনডিকেটর, যাকে আমার শিক্ষার্থীগণ নাম দিয়েছেন রাডার কোন শেয়ার বাড়বে বা কমবে তা ধরা পড়বেই এ রাডারে), নিজেই শেয়ার কেনা শিখে ফেলুন ৩য়/৪র্থ ক্লাসের পর থেকেই-

দান মারোতো পচা শেয়ারে, কিভাবে?

শেয়ার বাছাই করতে নিজেকে কমপক্ষে ১৫টি প্রশ্ন

খারাপ বাজারেও লাভ করার কৌশল?

কোনো শেয়ারে আটকা পড়লে বের হওয়ার কৌশল

ক্যান্ডেল স্টিক পরিচিতি তাদের কাজ, প্রাইস এ্যাকশন এবং এমা সহযোগে সহজে ক্রয় বিক্রয়।

পূর্ব ক্লাসের আলোচনা

একটা বিদেশী সফটওয়্যার!! কেনো বলি, এটা সোনার খনি!! ভলিয়্যুম স্প্রেড ক্যালকুলেশন (ফান্ডামেন্টাল টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিসে)

ব্রেকআউট কি এবং কেনো? কেনো এতে দ্রুতো প্রচুর প্রফিট হয়? যে সব শেয়ার দর প্রচুর বাড়লো? কেনো এতো বাড়লো?, কিভাবে বাড়লো?

রয়েছে যাদুর চেরাগ প্যাটার্ন, যে প্যাটার্নে, লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৫%

নিউটনের সূত্র প্রয়োগ করে শেয়ার কেনার কৌশল  (শতভাগ প্রফিট) মনস্টার শেয়ার

DSE Money Maker এর একটা নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

বলিঙ্গার ব্যান্ড এর কাজ?

আরএসআই মানিফ্লো ইন্ডিকেটর এর স্পেশাল ব্যবহার?

আরএসআই, মানিফ্লো বলিঙ্গার ব্যান্ড ইন্ডিকেটর দিয়ে ক্রয় বিক্রয়

 ২৪টি মোস্ট পাওয়ারফুল ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ন যা আপনাকে শেয়ার কিনতে-বেচতে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, মানে কোথা থেকে দৌড় শুরু করবেন আর কোথায় শেষ করবেন তা জানতে সাহায্য করবে।

 এমন একটা ইন্ডিকেটর যা জ্যোতিষির মতো শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে পূর্বাভাস দেয়

 প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস, নিজে নিজে করতে হবে।

ফ্রি ফ্লোট শেয়ার কি? এবং কেনো। কেনো এই সব শেয়ারের দর বাড়ে

আপনি সেল দিলেন আর দাম বেড়ে গেলো? অথবা কিনলেন দাম কমে গেলো? থেকে বাঁচতে আছে বিশেষ ইন্ডিকেটর

ADX, CCI, ATR এবং EMA সহযোগে সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট এক্সিট পয়েন্ট।

থাকবে সুপার ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর-এর ব্যাবহার, এটা কি ভাবে বাই-সেল জেনারেট করে তা দেখানো হবে। তাই মিস্ করলেই লস্।

১৮ বছরেও দর বাড়ে নাই বরং কমেছে কিন্তু তার পরেও লাভ প্রায় ৭০ গুণ এমনই একটা শতভাগ প্রোফিটের শেয়ার নিয়ে ক্যালকুলেশন

কোন্ শেয়ার কখন কিনবেন?

বিনিয়োগকারীরা কেন লস করে বা সর্বশান্ত হয়

কোনো শেয়ারের সঠিক দাম কতো? কিভাবে জানবো?

শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের অনেক পদ্ধতি আছে। একেক শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের পদ্ধতি একেক রকম, আমি যেভাবে ক্রয়-বিক্রয় করি।

ফিবোনাচ্চি তত্ব, এমা, আরওসি, এবং এডিএক্স, সিসিআই সহযোগে শেয়ার ক্রয়।

কোর্স শেষে প্রতি শনিবারে থাকবে মিটিং, প্রয়োজনে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস,
সবাই মিলে শেয়ার প্যাটার্ন ও ভালো শেয়ার খুঁজে বের করে নিশ্চিত লাভের শেয়ার কেনা হয়।

কোর্স চলাকালীন সময়ে আপনার হাতে থাকা শেয়ারের এ্যানালাইসিস আপনি নিজেই করতে পারবেন। আর কারো কাছে শেয়ার চাইতে হবে না।

 

দেরী করলেই লস্

আমার ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলের একই নাম ’DSE Money Maker’ ঢু মেরে দেখে আসুন অনেক কিছু জানতে পারবেন। ইউটিউব চ্যানেলটা নতুন, আপগ্রেডের কাজ চলছে এর মধ্যেই কিছু ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। যা সবাই পছন্দ করেছে, শেখার আগ্রহ থাকলে দেখুন এবং সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। বিনিয়োগে সবার সফলতা কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে

আল্লাহ হাফেজ