শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪

সুখবর শেয়ার বাজারে! কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ!!

সুখবর শেয়ার বাজারে! কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ!!


বাংলাদেশী টাকা

এম আর মিডিয়া২৪ ডেস্কঃকিছু সুখবর শোনা গেলেও বাজারে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে না, আস্থা পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারী, তবে দ্রুত মুনাফার চিন্তা না করে দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হওয়ার পরিকল্পনা করলে ভালো ফল পাবেন, তবে অবশ্যই কারসাজিকারকদের শেয়ার উচ্চমূল্যে কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • গত ১২ ডিসেম্বর, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ–সক্ষমতা বাড়াতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি সরকারের গ্যারান্টিতে ৩০০০ (তিন হাজার) কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে, তাই আইসিবিকে শেয়ার কিনতে হবে, তারা চাইবে যে কোনো উপায়ে কম দামে শেয়ার কিনতে, শেয়ার বিক্রী করবেন নাকি ধরে রাখবেন সিদ্ধান্ত আপনার!
  • শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী এসেছে ১২ হাজার ৪৫১ জন, এটা শেয়ার বাজারের জন্য অবশ্যই একটা ভালো খবর, এর ফল ভোগ করতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে।
  • যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোতে সুদের হার কমায় এবং বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত অনেক কম্পানির শেয়ারের মূল্য অনেক কম হওয়ায় আবারও তারা বিনিয়োগে আমাদের দেশে আগ্রহ দেখাচ্ছে
  • বেশীরভাগ সময়ে ভালো শেয়ারের দর না বেড়ে কেনো খারাপ শেয়ারের দর বাড়ে তা খুঁজে বের করুন, নিজে সেল্ফ এ্যানালাইসিস করতে শিখুন, অন্যের ফাঁদে পা দেবেন না।
  • শেয়ার বাজারে মুনাফার সম্ভাবনা থাকলেও এটি ঝুঁকিপূর্ণ, তাই কখনোই ধার বা ঋণের টাকায় বিনিয়োগ করবেন না।
  • যেকোনো বিনিয়োগের আগে সেই কোম্পানি বা স্টকের বিষয়ে ভালোভাবে গবেষণা করুন।
  • শেয়ার বাজারে ধৈর্য ও সময় দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতারণামূলক স্কিম থেকে দূরে থাকুন।
  • শেখা দিয়ে শুরু করুন, নিজ আলোয় আলোকিত করুন নিজেকে।



সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

মানুষ মানুষের জন্য!

মানুষ মানুষের জন্য!


ওপরে বাঁ থেকেঃ ক্ষতিগ্রস্থ খামার, মুরগীর বাচ্চা বিতরণ করছেন School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের মেন্টর কে এম মিজানুর রহমান মানিক ও  শিক্ষার্থীবৃন্দ, ‍মুরগীর বাচ্চার খাবার।
নীচে বাঁ থেকেঃ এক ক্ষতিগ্রস্থ মামুন ভূঁইয়া অন্য ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা বিতরণ করছেন, ৩ সদস্যের টিম-কে এম মিজানুর রহমান মানিক, ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন শুভ ও ইঞ্জিনিয়ার মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব, ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ী

প্রতিবেদক, ফেনী

আগষ্টের প্রলয়ঙ্কারী বন্যায় ফেনীর বন্যা দূর্গতদের পুনর্বাসনে পাশে দাঁড়িয়েছে School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থী ও DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, তাদের সহযোগিতার অর্থ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ঢাকা থেকে স্কুলের মেন্টর ও গ্রুপ এ্যাডমিন কে এম মিজানুর রহমান, কুমিল্লা থেকে ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন শুভ ও ইঞ্জিনিয়ার মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব ফেনীতে গমন করেন। তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গ্রুপের সদস্য ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ফেনীর মামুন ভু্ইয়া ও অন্যান্যরা। বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসমূহ।
সকলের সহযোগিতা ও আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে ৩ সদস্যের এ টীম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ খামার পরিদর্শন করে স্বল্প পরিসরে মঠবাড়িয়া তুলাতুলী গ্রামের সর্বশান্ত হয়ে যাওয়া কয়েকজন খামারীকে মুরগীর বাচ্চা, সেগুলোর ১ মাসের খাবার বাবদ প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ও বাড়ীঘর ভেঙ্গে যাওয়া কয়েকজন দুস্থের মধ্যে ১০,০০০/-করে টাকা বিতরণ কাজ সম্পন্ন করেন। এখানে উল্লেখ্য এক ক্ষতিগ্রস্থ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা দিয়ে সহায়তা করছেন, ফেনী বাসীর এ উদারতা বিষ্ময়কর বলে জানিয়েছেন, স্কুলের মেন্টর ও গ্রুপের এ্যাডমিন কে এম মিজানুর রহমান মানিক, ক্ষতিগ্রস্থরা জানান বন্যা পরবর্তী সময়ে এই প্রথম আপনাদের সহযোগিতা পেলাম।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বানভাসী মানুষের জীবন সুরক্ষা ও School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থী, গ্রুপের সদস্য ও অন্যান্য যারা বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগীতা করেছেন তাদের সফলতা ও আল্লাহপাকের অশেষ রহমত কামনা করে স্থানীয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত পাঠ করেন ইমাম সাহেব। 
পরিশেষে এ টিম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাজমুল হাসান, এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জনাব মোঃ আফতাবুল ইসলাম, ফেনী সদর, ফেনীর সাথে দেখা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরলে তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ বিনিময়ে কেন দেরী হচ্ছে জিজ্ঞেস করায় উনারা বলেন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা না থাকার কারণে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দেরী হচ্ছে। পরিশেষে উক্ত মহতী কাজে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার জন্য গ্রুপের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন গ্রুপ এ্যডমিন ও স্কুলের মেন্টর।

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

 এস কে ট্রিমের কলের চাকা বন্ধ হলো! ক্ষতি কার?

এস কে ট্রিমের কলের চাকা বন্ধ হলো! ক্ষতি কার?

এস কে ট্রিমস কোম্পানীর পরিচালনা পরিষদ যেখানে এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে না, উৎপাদিত পণ্য ও কারখানা।

পাপির শাস্তি হোক নিরপরাধীর কেনো? শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীর স্বার্থে যে কোনো উপায়ে কোম্পানী চালুর ব্যাবস্থা করা হোক

 বিশেষ প্রতিবেদন

K M Mizanur Rahman
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School ofDSE Money Maker

কে এম মিজানুর রহমান
এম আর মিডিয়া২৪ ডেস্কঃ বন্ধ হলো শেয়ার বাজারে অন্তর্ভুক্ত S K Trims & Industries Ltd. কোম্পানী, আর হৃদস্পন্দন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীদের ।
কোম্পানিটি ১ জুন ২০১৪ এ তার বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৭ সালে প্রাইভেট লিমিটেড থেকে পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তরিত হয় তারপর ২০১৮ সালে এ কোম্পানী উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের জন্য সমস্ত ধরণের সুইং থ্রেড, ইলাস্টিক, পলি, কার্টন, ফটো কার্ড, ব্যাক বোর্ড, বার কোড, হ্যাংট্যাগ, টিস্যু পেপার, সেলাই থ্রেড, পলি ব্যাগ, বোনা লেবেল, জিপার, পুলার, লেইস লেবেল, মুদ্রিত লেবেল, কালো সাটিন লেবেল মুদ্রণ, সুতির কাপড়ের লেবেল, গাম টেপ ইত্যাদি উত্পাদনে নিযুক্ত ছিলো  যা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে রপ্তানী আয়ে ও RMG সেক্টরে। এবং দিনে দিনে ব্যাগ রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।  এ কোম্পানীর মেশিনপত্র ছিলো খুবই অত্যাধুনিক। উৎপাদিত পণ্যগুলো ছিলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এস কে ট্রিমস ২০২২-২০২৩ আর্থিক বছর থেকে বিভিন্ন ব্যাগের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে এবং দিনে দিনে ব্যাগ রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। 
কোম্পানিটি, OEKO-TEX সার্টিফাইড সমৃদ্ধ। (OEKO-TEX means that these are human-organic textile products which do not have a detrimental effect on human health and well-being. OEKO-TEX® Standard 100 labelled products have been analyzed for a number of substances that are considered harmful to the health of humans.)
নিঃসন্দেহে একটা ভালো কোম্পানী, ফান্ডামেন্টালি স্ট্রং, প্রতি বছরই কম/বেশী ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছে বিনিয়োগকারীদের, নিশ্চিত বিনিয়োগ করার মতো একটা কোম্পানী, সেই কোম্পানীটিকে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। সাথে সাথে শেয়ারের দর পতন, আর এ পতন কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
অনেকে বলে এটা এনবিআরের সদস্য মতিউর রহমানের কোম্পানি, আমি এর ওয়েবসাইট ঘেঁটে কোথাও মতিউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাইনি, কোম্পানিটির উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে মোঃ তোফাজ্জাল হোসেন ফরহাদ (চেয়ারম্যান), মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন রাইভি, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ আইনুল কবির, মো. নুরুল হুদা ও এম এ কাইয়ূম হাওলাদার। 
কোথাও মতিউর রহমানের নাম নেই, অথচ ছেলের ছাগল কান্ডের পর শুনি এটা মতিউর রহমানের কোম্পানী এ কারণে এ কোম্পানীর ব্যাংক হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। 
কোম্পানী জানিয়েছে-
মহানগর দায়রা জজ কোর্টের নির্দেশে ১১-৭-২০২৪ ইংরেজি তারিখ থেকে কোম্পানীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রয়েছে তারপরও আমরা ব্যক্তিগত অর্থায়নের মাধ্যমে মে, জুন ও জুলাই ২০২৪ সালের বেতন ও ওভারটাইম পরিশোধ করেছি, বিগত জুন ২০১৪ সাল থেকে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় বেশ কিছুদিন যাবত কারখানাতে কোন প্রকার কাজ নেই এবং কারখানা সচল রাখার মতো আর কোন অর্থায়নের ব্যবস্থা নাই এমতাবস্থায় কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ব্যাংক একাউন্ট সচল না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ধারা মোতাবেক ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ইংরেজি তারিখ হতে কারখানার সকল কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
আমরা চাই পাপির শাস্তি হোক, প্রশ্ন হলো একটা ভালো কোম্পানী বন্ধ করে কাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে? শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীরদের? এ ছাড়াও কোম্পানীর পণ্য রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতো সেটা থেকেও দেশ বঞ্চিত হচ্ছে।
কোম্পানী আরও বলেছে যে কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার নির্দেশ পাওয়া গেলে কারখানা চালু করা হবে ও চালুর তারিখ যথাযথ নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। 

পাপির শাস্তি হোক নিরপরাধীর কেনো? শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীর স্বার্থে যে কোনো উপায়ে দ্রুত কোম্পানী চালুর ব্যাবস্থা করা হোক। আশা করছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত চালুর পদক্ষেপ নেবেন।

শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪

স্বপ্ন নয় সত্যি! চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন

স্বপ্ন নয় সত্যি! চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন

 


শেয়ার বাজার থেকে কেমন আয় করা যায়?

School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিখানো হয় কিভাবে ১৫ দিনে ১০শতাংশ লাভ করা যায়! তার কৌশল। অনেক শিক্ষার্থী ৪/৫দিনেই লাভ করেছেন ১০ শতাংশের বেশী।
* ১৫তম ব্যাচের একজন রিটার্ড উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যিনি বলছেন- ‘আপনার ট্রেনিং নিয়ে কাজ হয়, লাভ হয়, কেনা যায়, বেচা যায় ভয় লাগে না। তার কাছেই শুনবেন’ তিনি ৪ কর্মদিবসে লাভ করেছেন ১৫শতাংশ!
* ৩ কর্মদিবেস ২০শতাংশ লাভ ধরতে না পেরে আফসোস করেছেন একজন শিক্ষার্থী।
এতে আরও থাকছে ১৮ থেকে ৭০+ শিক্ষার্থীরা কেমন করছেন?
প্রিয় সুধী, সাম্প্রতিক সময়ে কেনা-বেচা নিয়ে DSE Money Maker ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথোপকথন ১০ম পর্ব (Students Conversation Part-10)। দেখার আমন্ত্রণ
বাজার ভালো হোক বা খারাপ! প্রবল ইচ্ছে থাকলে আপনিও পারবেন সফল হতে!
School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলে ১৬তম ব্যাচে ভর্তি চলছে, আপনিও হতে পারেন তাদের মতোই একজন!
ক্লাস শুরু ১৫ মে, ২০২৪ সাল, বুধবার রাত ৯:০০টায়। বিস্তারিত জানতে নীচের লিংক থেকে ফরম ফিলাপ করুন, দ্রুত!
ভর্তি ফরমের লিংকঃ

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

আহা! ফেকডিল, ওইমেক্স, গোল্ডেন সন

আহা! ফেকডিল, ওইমেক্স, গোল্ডেন সন

 

হতাশার অভিশাপ থেকে দূরে থাকি

।। কে এম মিজানুর রহমান মানিক।।

বাজার কমানোই হয় বাড়ানোর জন্য, কোনো কোনো শেয়ারের দর ৫/৬দিনে ৪০শতাংশের ওপর বেড়েছে, কেউ কেউ ভয়ে হতাশ হয়ে লসে শেয়ার সেল দিয়ে বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, তারা আবার ফিরে আসছেন, ফিরে এসে তারা কি তাদের বেচা দামে শেয়ার কিনতে পারবেন বলে মনে হয়? সবচেয়ে কষ্ট লাগবে তাদের যারা ফেকডিল, ওইমেক্স, গোল্ডেন সন-এর মতো শেয়ারগুলো বিক্রী করে বাজারকে টাটা দিয়েছিলেন। অতএব ৩০/৪০শতাংশ দর কমে গেলেই ভয় পেতে নেই, হতাশ হতে নেই। যখনই হতাশ হবেন তখন স্বাভাবিক বুদ্ধি লোপ পাবে, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হবেন, পরের কথায় কান দিয়ে আপনি তখন আপনার কাংক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হবে, তাই হতাশ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় নিজে চিন্তা করুন কেনো লস্ হলো, অন্যে পারছে আমি কেনো পারছি না, এ থেকে উত্তরণের উপায় কি? তবে শেখার কোনো বিকল্প নাই, এই পেজেই খুুঁজলে পেয়ে যাবেন শেখা এবং জেতার কৌশল! তবে আপনার একজন অভিজ্ঞ মেন্টর থাকতেই হবে।

বলেছিলাম ‘বাজার যেভাবে কমছে সেভাবেই বাড়বে! কি বাড়ছে না? বাড়া-কমা শেয়ার বাজারের ধর্ম এই বাড়া-কমার ধরণ আপনাকে জানতে হবে, তারপরও নিন্দুকেরা কিন্তু নিন্দা করেই যাবে অথবা বলবে এ বাজারে লাভ করা যায় না, গেমলার ছাড়া লাভ করা যায় না, বাজার কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হচ্ছে, এ্যানালাইসিস কোনো কাজ করে না ইত্যাদি ইত্যাদি, এসব বলা তাদের স্বভাব, এসব বলে আপনাকে বিভ্রান্ত করবে, হতাশাগ্রস্ত করে তুলবে। এজন্য নিন্দুক এবং নেগেটিভ পারসনদের থেকে দূরে থাকা ভালো। খারাপ বাজারেও যে বেশী বেশী লাভ করা যায় আমি কিন্তু তা বিভিন্ন ওয়েবিনার ক্লাসে বলেছি ও দেখিয়েছি, সেগুলো ভিডিও আকারে আছে।  ভিডিওগুলো দেখুন সেগুলো দেখতে ভিজিট করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংকঃ  DSE Money Maker, ফেসবুক গ্রুপঃ DSE Money Maker, ফেসবুক পেজঃ School of DSE Money Maker

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ কৌশল তথা ক্রয়-বিক্রয় শিখতে দেশের ১ম ও অন্যতম প্রতিষ্ঠান School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলে ভর্তি হতে চাইলে ০১৬৩১৪২৯১৬৯ (হোয়াটস্‌এ্যাপ) অথবা ০১৭৪৭৭৬২৫৫৮ নম্বরে সরাসরি ফোন দিন।  

 আমাদের এই ওয়েব পেজে mrmedia24.blogspot.com বেশ কিছু কৌশল দেয়া আছে, পড়ে দেখুন অনেক কাছে লাগবে। ধন্যবাদ সবাইকে

সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইনের প্রস্তুতি চলছে

পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইনের প্রস্তুতি চলছে

 



mrmedia24.blogspot.com প্রতিবেদক : প্রিমিয়ামসহ কোনো  কোম্পানীর শেয়ারের দর অফার মূলের চেয়েও যদি বেশী কমে যায় তবে ঐ কোম্পানী পুনরায় তার শেয়ার কিনতে বাধ্য হবে, এরকমই একটা আইন কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএসইসি, আর তা যদি হয় তবে শেয়ার বাজারের কারসাজি অনেকাংশেই কমে যাবে বলে ধারণা বিনিয়োগকারীদের ।

পুঁজিবাজারের বাইব্যাক আইন কার্যকর করার দাবি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের। বাইব্যাক আইনের খসড়াও প্রণয়ন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কিন্তু নানা কারণে সেই আইন কার্যকরা করা যায়নি। অবশেষে কার্যকর হতে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইন।

জানা গেছে, সম্প্রতি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এই বিষয়ে ফলপ্রসূ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাইব্যাক আইন কার্যকর করার বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। ফলে শিগগিরই কার্যকর হচ্ছে শেয়ারবাজারে বইব্যাক আইন।

এই বিষয়ে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে বাইব্যাক পদ্ধতির প্রচলন আছে। তবে দেশের বিদ্যমান কোম্পানি আইনে তা অনুপস্থিত। এই আইনে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দর কমে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে সেই শেয়ার ক্রয় করতে হবে। এটি কার্যকর হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। এছাড়া কোন কোম্পানি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে আসলে, পরবর্তীতে শেয়ারের দাম কমে গেলে সেই কোম্পানিকে শেয়ার কিনে নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বাইব্যাক বা শেয়ার পুনঃক্রয় হচ্ছে একটি বিধান। যার আওতায় কোনো কোম্পানির শেয়ার মূল্য যদি অফার মূল্যের (প্রিমিয়ামসহ) নিচে নেমে যায় বা কমে যায় তবে ওই কোম্পানি কর্তৃক স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শেয়ার পুনঃক্রয় করতে বাধ্য থাকবে।

সূত্রঃ শেয়ারবাজারনিউজ.কম

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩

 শেয়ার বাজার থেকে Money Make করার কৌশল!! ৬ষ্ঠ পর্ব

শেয়ার বাজার থেকে Money Make করার কৌশল!! ৬ষ্ঠ পর্ব

শেয়ার বাজার থেকে Money Make করার কৌশল!! ৬ষ্ঠ পর্ব
।।কে এম মিজানুর রহমান।।

Trailing stop and Stop loss

ফ্লোরে আটকে থাকার কারণ ও তার প্রতিকার
আমরা অনেকেই এখন বেশীর ভাগ বিনিয়োগকারী ফ্লোরে আটকে আছি, কারণ কি? অনেকগুলো কারণের মধ্যে স্টপ লস না নেয়া সব চেয়ে বড় কারণ। একজন বিনিয়োগকারীর স্টপ লস না নেয়া অনেক বড় ভুল, আজকে দেখাবো কিভাবে স্টপ লস নিতে হয়। স্টপ লস দুই ভাবে নেয়া যায়, ম্যানুয়ালী ও অটো, বা ট্রেইলিং স্টপ ও এটিআর সেট করা।
ট্রেইলিং স্টপ কি, এবং কেনো?
আমি এর আগে কোনো এক পোস্টে কিভাবে এমা সেট করতে হয় তা শিখিয়েছি। ৯ এমা লাইনকে ঘিরে পরবর্তী দরকে অনুসরণ করাই হলো ট্রেইলিং আর একটা নির্দিষ্ট দরে বেঁধে দেয়া(যেমন ১০%বা ৮%) সেল করার চিন্তাই হলো স্টপ, যতোক্ষণ না ১০% বা ৮% দর না কমে ততোক্ষণ আমি বিক্রী করবো না, এ রকম ধারণা পোষণ করে শেয়ারকে ধরে রাখাকেই মূলতঃ ট্রেইলিং স্টপ বলা হয়। এখানে মনে রাখা দরকার যে সব শেয়ার কিন্তু ট্রেইল অনুসরণ করে উর্ধ্বগামী হয় না। কিছু কিছু শেয়ার হয়।
কিছু কিছু শেয়ার আছে যা বছর জুড়েই বাড়ে আর কিছু কিছু শেয়ার আছে অল্প কিছুদিন বেড়েই আর বাড়তে পারে না। যে শেয়ারগুলো বছর জুড়েই বাড়ে সে গুলোতে মূলতঃ ট্রেইলিং স্টপ সেট করতে হয়। একটু সহজ করে বলি, ধরুন আপনি একটা শেয়ার কিনেছেন ৫০.০০টাকায়, সেল টার্গেট সেট করলেন ৬০.০০টাকা, লাভ প্রায় ২৩শতাংশ, এরপর সত্যি সে শেয়ার দর ৬০.০০টাকা উঠলো আপনি তা বিক্রী করে দিলেন, কয়েকদিন পর দেখা গেলো ঐ শেয়ারটা ৮০ টাকায় উঠেছে কেমন লাগবে আপনার? যদি তা আবার ১৫০.০০ টাকা হয় তখন? শুধুই আফসোস হবে, আহা যদি এখনও থাকতো? সি পার্ল এর শেয়ারটার কথাই ধরুন না মাস চারেক আগেও ৪০.০০ /৪৫.০০ টাকা ছিলো এখন কতো? এরকম এক সময়ের Beximco, Imam button, Metrospin, HR text, Al-haj tex, , এরপর Sonali Paper, Anwar galvanising, Sonali Ansh, Orion Infusion, , BPML Monospool, Paper processing, BD com, BD Lamp ADN tel, Genexil, EGEN, Saport, Sinobangla ইত্যাদি ইত্যাদি শেয়ার অনেক বেড়েছিলো এবং বাড়ছে, এরকম দুই চারটা শেয়ার সব সময়ই আমাদের বাজারে থাকে, ইমাম বাটন কেনো রেখেছি জানেন? এ শেয়ারটার প্রোডাকশন বন্ধ, অফিস তালা দেয়া, তার পরেও বেড়েছে, এগুলোর ফান্ডামেন্টালী কোনো ভিত নাই তবুও বেড়েছে, তবে আমি বলবো এসব শেয়ারে এন্ট্রি না নেয়া, একবার কোনোভাবে আটকে গেলে আর বেরুতে পারবেন না। এসব শেয়ার বাছাই করতে আমাদের দেশের বিভিন্ন এ্যাপস বা বিদেশী সফটওয়্যার ইনভেস্টিং.কম-এর পারফরমেনস্ স্ক্যান করলেই পাওয়া যায়। টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিসেও এগুলো ধরা পড়ে, এ শেয়ারগুলোর খুব একটা ফান্ডামেন্টাল দরকার পড়ে না, মামুরা থাকলেই হলো, মামুরা কোথায় থাকে? সবাইতো আর মামুদের খুঁজে পাবেন না, তবে টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিসে আপনি মামুদের খুঁজে পাবেন। সে যেখানেই থাকুক না কেনো, স্ক্যান করে তাদের ধরতে পারবেন। দর ভলিয়ম এবং বাড়ার মুভমেন্ট দেখলেই এসব শেয়ার খুঁজে বের করা যায়। এসব শেয়ারের দর কি আজীবন বাড়তেই থাকবে? অবশ্যই না, এজন্যই দরকার ট্রেইলিং স্টপ সেট করা, কিভাবে? সেটাই আজ দেখাবো।
ট্রেইলিং স্টপ সেট করার নিয়মঃ
চিত্রঃ সি পার্ল (নীচের চিত্র)
আমরা জানি, কোনো শেয়ার অনেক দিন/বছর সাইডওয়েতে থেকে যদি আমাদের সেট করা ৪টা এমা স্প্রেড করে তবে সেই শেয়ার দর অনেক বাড়ে এমনই একটা শেয়ার সি পার্ল।
আমরা এই সিপার্ল শেয়ারটায় ট্রেইলিং স্টপ সেট করবো, ধরি এই শেয়ারটা আমি ৫০.০০ টাকায় কিনলাম, সেল টার্গেট ৬০.০০ টাকা, শেয়ারটার দর ৬০.০০ টাকায় উঠলে আমি বিক্রী করে দিলাম, এরপর দর বাড়তে থাকলো শেয়ারটি সর্বোচ্চ ১৯৪.৫০টাকা উঠেছিলো, ৬০.০০ টাকা বিক্রয় করার পর প্রায় ৩গুণ লাভ থেকে বঞ্চিত হলেন, মনে হচ্ছে ১০০/-টাকায় যদি বিক্রী করতে পারতাম তবুও অনেক লাভ হতো, কিন্তু আগে থেকেতো জানা যায় না যে এই শেয়ার ১০০টাকায় উঠবে-ট্রেইল অনুসরণ করে ধাপে ধাপে বাড়ে, যতদিন চাহিদা থাকে ততো দিন বাড়ে তাহলে কি করা? সেটাই দেখাচ্ছি।
এখানে আমি ১০% ট্রেইলিং স্টপ সেট করবো
১০%=(১০০-১০)/১০০=.৯টাকা
নো রিস্ক নো গেইন, আমি ১০শতাংশ লস স্বীকার করে শেয়ার কিনছি
৫০টাকার ১০% =৫০x.৯=৪৫টাকা, এর অর্থ কি দাঁড়ালো? শেয়ারটি আমি ৪৫.০০ টাকায় এলে বিক্রী করবো নইলে বিক্রী করবো না, দর বাড়ছে ৪৫.০০ টাকায় কিন্তু আর আসলো না, বাড়তে বাড়তে শেয়ারটা ৬০.০০ টাকায় উঠে গেলো আর আপনার বেঁধে দেয়া দরে পৌঁছে গেলো আপনি বিক্রী করে দিলেন, আমরাতো জানি শেয়ার বাজার ঝুঁকির বাজার ঝুঁকি নিতেই হয় তবে উল্টা-পাল্টা ঝুঁকি নিলে চলবে না, এখানে আবার ঝুঁকি নেবো ঐ শেয়ারটার চাহিদা বুঝে যেহেতু ভলিয়ম দেখে বোঝা গেছে চাহিদা আছে তাই আবার ঝুঁকি নেবো আবার নতুন করে ট্রেইলিং স্টপ সেট করবো তাহলো ৬০x.৯=৫৪.০০টা, অর্থাৎ ৫৪.০০ টাকায় এলে বিক্রী করবো নইলে না, আমি আবার অপেক্ষা করছি কয়দিন পর দর উঠলো ৮৫.০০ টাকা, আপনার ফুর্তি কিন্তু বেড়ে গেছে ৫৪.০০ টাকায় না এসেই ৮৫টাকা হলো, আবার স্টপ লস দিন ৮৫x.৯=৭৬.৫০ এইভাবে স্টপ লস দিতে দিতে ট্রেইল ধরে এগিয়ে যান ৭৬.৫০টাকায় দর না এসে দর হলো ১০০.০০টাকা এবার কি করবেন? আপনিই সিদ্ধান্ত নিন বিক্রী করবেন নাকি আবার ট্রেইলিং স্টপ সেট করবেন?
তবে দর বেশী ওপরে উঠে গেলে ৫শতাংশ ট্রেইলিং স্টপ সেট করুন অর্থাৎ ঐ দরকে .৯৫ দিয়ে গুন করুন, আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।
স্টপ লস!!
কিছু কিছু শেয়ার আছে সেগুলো ২/৪দিন বাড়ার পরেই আর বাড়তে পারে না, আমি বলি ২/৪ দিন বাড়ার পরেই বিক্রী করে দিন, বা যেদিন দর কমা শুরু হয়, এবং শেষ পর্যন্ত দর আর ধরে রাখতে পারে না, তখন বিক্রী, বাঁকী লাভ আরেক ভাই/বোন করুক। যারা কোনো এ্যানালাইসিস জানেন না, এটা তাদের জন্য, এটা এক ধরনের মনোস্ত্বাত্তিক স্টপ লস, তবে অবশ্যই আপনাকে আগে কেনা শিখতে হবে, এমন সময়ে কিনতে হবে যাতে আর না কমে, বিশেষ করে সাপোর্ট লাইনে এসে দর ও ভলিয়ম বাড়তে থাকলে তখন ক্রয়।
স্টপ লস সেট করতে এটিাআর (ATR=Average True Range)
নিয়ম প্রায় একই, এটা জানতে কিছুটা টেকনিক্যাল এ্যানালাইসিস জানতে হয়। প্রথমে যে কোন ব্রাউজ ওপেন করে চার্ট আনতে হয়, আমি https://stocknow.com.bd/chart এর চার্ট নিয়েছি, এটা সবার জন্যই উন্মুক্ত। এর পর মেনুর Indicator থেকে ATR (Average True Range) ইন্ডিকেটর সেট করেছি, টাইম ফ্রেম সেট করেছি ১ দিনের, শেয়ার নিয়েছি BNICL, স্টকটা সাপোর্ট লাইন থেকে দর বাড়া শুরু হয়েছে আমি কিনেছি ১৪ই নভেম্বর, ক্রয় দর ছিলো ৫৯.০০টাকা ঐ দিন ১৪ পিরিয়ডের ATR Value ছিলো ৩.৬০টাকা (যখন যেকোনো দিনের ক্যান্ডেলস্টিক-এর ওপর মাউস নিলে সেই সময়ের ATR Value স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবো)। এখন আমি ক্রয় দর ৫৯.০০টাকা থেকে ATR Value ৩.৬০ টাকা বাদ দিবো। ৫৯.০০-৩.৬০= ৫৫.৪০ টাকা অর্থাৎ সেল দর ৫৫.৪০-এ আসলে বিক্রী করবো নইলে বিক্রী করবো না এরপর ১০% বাড়লে আবার আরেকটা স্টপ লস সেট করবো। যদি বাড়তেই থাকে তবে ধাপে ধাপে স্টপ লস (ATR Value বাদ দিয়ে) সেট করবো, রিস্ক নিতে না চাইলে আপনার কাংক্ষিত লাভ হলে বিক্রী। যারা এ্যানালাইসিস বোঝেন না তারা রিসেন্ট হাই প্রাইস (৬৯.০০টাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। এর পর থেকে এভাবে স্টপ লস সেট করলে আশা করি ফ্লোরে পড়ে থাকতে হবে না। আজ এ পর্যন্তই, সবার জন্য শুভকামনা, আল্লাহ হাফেজ।
নিচের চিত্রঃ Sear pearl and BNICL

মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩

বিষ্ময়কর! কি দুঃসাহস!!

বিষ্ময়কর! কি দুঃসাহস!!


চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাকিবুল ভাই আবারও ১০ লাখ টাকায় ৮ দিনের মাথায় লাভ করলেন ২লক্ষ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা

এর আগে রাকিবুল ইসলাম ভাই জি কিউ বলপেনে  ১০লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৮ দিনে আয় করেছিলেন ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা! এতে অবোধ শফিকুল  ইসলাম নিম্নোক্ত মন্তব্য করে, রাকিবুল ইসলামকে লেখেন আরেকটি বাই করেছি-দেখাবো  ইনশা আল্লাহ!

আমার শিক্ষার্থীদের সাথে কি কথা বার্তা হয় তা আপনারা আমার DSE Money Maker ইউটিউব চ্যানেল বা ওয়েবিনারে শুনেছেন, যারা শোনেন নাই তারা দেখে নিতে পারেন। এবারে আরো অবাক করার মতোই বিষ্ময়কর ঘটনার জন্মদিলেন সিরাজগঞ্জের বিনিয়োগকারী Md. Rakibul Islam Khan, বিনয়ী, ভদ্র, নির্লোভ, সত্যবাদী, পরিশ্রমি সচেতন, সময়ের কাজ সঠিক সময়ে সঠিক সময়ে সম্পন্ন করতে পারেন যিনি, যে ধরণের বিনিয়োগকারী খুঁজি আমি তার সব গুণই তার মধ্যে আছে, তিনি শুধুমাত্র ওয়েবিনারে ফ্রি ক্লাস করে কয়েক দিন আগে জিকিউ বলপেনে ১০লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৮ দিনে আয় করেছিলেন ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা! যা আমি DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপে জানিয়েছি, উনি হেটার্সদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ২৩শে অক্টোবর, আবারও প্রায় ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে আরেকটি শেয়ার (Ambee Pharma, ক্রয় ১০২০/-টাকা ২৩ অক্টোঃ- বিক্রয় ১২৫০/- ৩০ অক্টোঃ বন্ধ দিনসহ) বিক্রী করে লাভ করেছেন ২লক্ষ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা, আমার ওয়েবিনার থেকে শিখে অনেকে ভালো লাভ করছেন, শুনছি কেউ কেউ এগুলো দিয়ে ব্যবসাও করছেন আবার নেগেটিভ হেটার্সরা এটা বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু এটাই চরম সত্য. বিশ্বাস করুন আমি একটুও মিথ্যে বলছি না বিশেষ করে যারা আমার ফলোয়ার, বন্ধু বা যারা ওয়েবিনারগুলো দেখেন তাদের মনে হয় অবিশ্বাস করার কারণ নেই।

তাহলে ১৫দিনে ১০ শতাংশ লাভ করা কি কঠিন? যদিও বাজার খারাপ!!

অপার সম্ভাবনাময় শেয়ার বাজারে সবাই কি লাভ করতে পারে? পারে না, তবে কেউ কেউ পারে, বাজার ভালো হোক বা খারাপ হোক, অনেকে খারাপ বাজারের জন্যই অপেক্ষা করে, লাভ বেশী হয়। আমার ওয়েবিনারগুলোতে আমি বার বার আপনাদের বলে আসছি শেয়ার বাজার একটা বিশাল ধনভান্ডার, যেখানে টাকা উড়ে, সে টাকা ধরতে জানতে হয় বিশেষ কিছু কৌশল, যা না জানলে শেয়ার বাজার থেকে লাভ করা খুবই কঠিন, গুণতে হবে শুধুই লস আর লস্। কিছু সিক্রেট কৌশল আছে যা বিশাল ধনভান্ডারের তালার একগুচ্ছ চাবির মতো, যার একটা কৌশল কোনো এক ওয়েবিনারে দেখিয়েছি ফেসবুকের লেখাগুলোতেও বেশ কয়েকটি কৌশল আপনাদের শিখিয়েছি তা দিয়েই কেউ কেউ লাভ করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এমনই একজন বিনিয়োগকারী Md. Rakibul Islam Khan যিনি আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মেসেজে জানিয়েছেন-

আরেক অধম এমন কু মন্তব্য করেছে যে তা লেখা যায় না, অবশ্য তার প্রতিবাদও করেছেন যারা আমার শিক্ষার্থী ও আমাকে ভালোবাসেন। DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপে পোস্টের কমেন্টগুলো দেখুন।

রাকিবুল ভাইয়ের চ্যালেঞ্জের ফল


পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ

K M Mizanur Rahman Manik
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School of DSE Money Maker




রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৩

সিক্রেট মাইন্ড সেটঃ শেয়ার বাজার কবে থেকে ভালো হবে?

সিক্রেট মাইন্ড সেটঃ শেয়ার বাজার কবে থেকে ভালো হবে?

 

রশি বা দড়ি দিয়ে বাঁধা হাতি


ডিএসই ইনডেক্স ১৮+,বাঁধা পেরিয়ে ব্লাক সানডে আজ হোয়াইট সানডে হয়ে গেলো, মার্কেট এগিয়ে যেতে এটা একটা শুভ লক্ষণ
M R Media24: একটা গল্প দিয়ে শুরু করি, গল্পটা যদিও পুরোনো, একটা ছোট হাতিকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হতো, অনেক চেষ্টা করেও সে রশি ছিঁড়ে বেরোতে পারতো না, একটা নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যেই ঘুরাফিরা করতো, এক সময় সে এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লো, তার মাথায় সেট হয়ে গেল অর্থাৎ বিশ্বাস জন্মালো (মাইন্ডসেট) যে সে এর বাইরে আর যেতে পারবে না, একসময় রশি ছেঁড়ার চেষ্টা বাদ দিলো, বড় হওয়ার পরেও আর সে আর রশি ছেঁড়ার চেষ্টা করে নাই, যদিও সে খুব সহজেই এটা ছিঁড়ে ফেলতে পারতো।
আমাদের শেয়ার বাজারেও বেশীরভাগ মানুষের মাথার মধ্যে এই ব্যাপারটা ঢুকে পড়েছে। কোনো কিছু না শিখে না বুঝে শেয়ার বাজারে এসে শেয়ার কিনে লস করতে করতে এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তাদের মাথায় সেট হয়ে গেছে, যে শেয়ার বাজার থেকে লাভ করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া বাজার কমাতে কিছুদিন পর পর কারসাজিকারকদের রশি যেমন ব্লাক সানডে, শেয়ার বাজারে কোনো সূত্র কাজ করে না, মুদ্রনীতি, বাজেট, বর্তমানে ইলেকশনের ধোঁয়া, এরকম অনেক অনেক রশি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের বেঁধে রাখা হয় যা ছিঁড়ে কেউ কেউ বেরিয়ে আসতে পারলেও বেশীরভাগ বিনিয়োগকার তা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। দড়ি ছিঁড়ে আপন শক্তিতে যেদিন এই বৃত্ত থেকে সব বিনিয়োগকারী বেরিয়ে আসতে পারবে, মুক্ত জীবনের স্বাদ নিতে পারবে, নিজের মতো করে বাজারে ক্রয় বিক্রয় করতে পারবে, সেদিন থেকেই বাজার ভালো হবে।
জীবনে হার বলে কিছু নেই, দড়ি ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পারলেই আপনি জিতবেন, নইলে শিখবেন, তবে হার যেনো এমন না হয় যে আপনার সব পুঁজি শেষ হয়ে যায়!
K M Mizanur Rahman
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School of DSE Money Maker
Phone: 01631429169

সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

শেয়ার টকিজঃ বাজার কেনো এমন আচরণ করছে?

শেয়ার টকিজঃ বাজার কেনো এমন আচরণ করছে?

শেয়া কি!

কে এম মিজানুর রহমান মানিক
এ্যাডমিনঃ ডিএসই মানিমেকার
ফোনঃ ০১৬৩১৪২৯১৬৯

ডিএসইএক্স ইনডেক্স ৭-৮-২০২৩, ১২:০০টা

চিত্র দেখেই বোঝা যায় কেনো অস্বাভিক আচরণ করছে বাজার
মনে রাখবেন, শেয়ার বিক্রী না করলে কোনো দিনও আপনার লস হবে না বাজার অনেক ভালো হবে, যা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না ২/১ বছর দাঁতে কামড় দিয়ে পড়ে থাকুন, প্রতিজ্ঞা করুন লসে কোনো শেয়ার সেল নয়, দেখবেন বাজার অটোমেটিক ভালো হয়ে গেছে।

বাজার অনেক কমছে, ভয়ে গলা শুকিয়ে আসছে, আমি শেষ! আর বুঝি এখান থেকে বেরুতে পারবো না, ভয় নেই দেখছেনতো বাজার আপট্রেন্ডে প্রবেশে করেছে, বাজার অনেক ভালো হবে, আপনি বাজারে যেয়ে ভালো কোনো জিনিষ কিনতে গেলে কি করেন! দর কমানোর চেষ্টা করেন, তাইনা!! এখানেও তাই হয়।

আমাদের শেয়ার বাজারটা খুবই ছোট, এই ছোট বাজারে অশিক্ষিত তথা বোকা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা অনেক বেশী, আর বোকাদের ফাঁদে ফেলা যতো সহজ শিক্ষিতদের ততো সহজ নয়, আর ফাঁদে ফেলার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে খুব সহজেই কারসাজিকারকরা তাদের কাছ থেকে শেয়ারগুলো হাতিয়ে নিতে পারে, যার ফলে বাজার উল্টা পাল্টা আচরণ করে, এই সুযোগে বোকাদের কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত বিনিয়োগকারীরা খারাপ বাজারেও প্রচুর প্রফিট করে, যার উদাহারণ আমি আপনাদের দেখিয়েছি গত ১১তম ওয়েবিনারে।

এই সময়ে বিশেষ করে জুন মাসের পর থেকে বাজার কমার তেমন কোনো ইস্যু থাকে না, এবার ইলেকশন টেকনিক্যাল ইস্যুর মূলা ঝুলিয়ে শেয়ারগুলো হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা চলছে।

আপনারা জানেন যে বাজারের একটা ধর্ম আছে, আর তা হলো বাড়া আর কমা, বাড়ার পরে কমবে আর কমার পরেই বাড়বে, অতএব সহজেই বোঝা যায়, গত দুইদিনে সূচক যেহেতু ২৭ পয়েন্টের ওপরে কমেছে, এবং এখন ১:২০মিনিট আমার লেখা চলাকালীন বাজার আরও ১৪ পয়েন্ট মোট  ৪১ পয়েন্ট কমে গেলো সাম্প্রতিক সময়ে এতো বেশী পয়েন্ট কমে নাই, তাই দেখবেন বাজার খুব দ্রুতই ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

আপনার জানেন বাজার আগের রেজিস্ট্যান্সে পৌছে গিয়েছিলো তাই এখন কমছে, তবে কমার হারটা বেশী, ভয়টা এখানেই, নিয়ম অনুযায়ী বাজারে যেভাবে কমছে সেভাবেই উঠে যাবে শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই বাজারের বর্তমান আচরণের প্রেক্ষিতে বলছি শয়তানি করা ছাড়া বাজার কমার সম্ভাবনা ছিলো না, তবুও কমছে, খুব সম্ভব ২/১ দিনেই মধ্যেই বাজার ঘুরে দাঁড়াবে। যেভাবে কমছে সেভাবেই বেড়ে যাবে।

আপনারা এও শুনেছেন যে কখনও কখনও ইন্ডিকেটর কাজ করেনা. কারণ কি? বোকাদের বোকামীর কারণে অনেক সময় তা লন্ড ভন্ড হয়ে যায়। বাজার যা আচরণ করে ইন্ডিকেটরে তাই ধরা পরে। আগে বাজার, তার পরেই তৈরী হয় ইন্ডিকেটর, তাই আগে বাজার সম্বন্ধে ভাবুন তার পরে ইন্ডিকেটরকে প্রাধান্য দিন। যেহেতু বাজারটা খুবই ছোট তাই যে কেউ বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে। নতুন নতুন কিছু এ্যানালিস্ট তৈরী হয়েছে যারা উল্টা পাল্টা এ্যানালাইসিস করে ছক আঁকে, দেখায় যে বাজার কমে যাবে, আর মূর্খ বিনিয়োগকারী না বুঝে তাদের কথা বিশ্বাস করে সেল দিয়ে দেয় আর বাজার পড়ে যায়। এই সুযোগ কারসাজীকারকরা কম দামে কিনে বেশী বেশী লাভ করার সূযোগ পায়।।

মনে রাখবেন, শেয়ার বিক্রী না করলে কোনো দিনও আপনার লস হবে না। বাজার অনেক ভালো হবে, যা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। থাকুন না / বছর দাঁতে কামড় দিয়ে, প্রতিজ্ঞা করুন লসে কোনো শেয়ার সেল নয়, দেখবেন বাজার অটোমেটিক ভালো হয়ে গেছে।

রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?

 



শেয়ার টকিজ!!

বিশেষ প্রতিবেদন
K M Mizanur Rahman
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School of DSE Money Maker

 

বাজার ভালো হবেই, চাই সবার সচেতনতা!
আমরা কি পেতে পারি না কমপক্ষে ২০,০০০ সূচক?
উন্নয়নের কতটা প্রভাব পড়ছে দেশে!
ভয় নাই যারা ফ্লোরে আটকে আছেন
বাংলাদেশের স্টক মার্কেট সূচকের সাথে যাদেরক তুলনা করা যেতে পারে
বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের ইতিহাস কি বলে?
২০২৪ সাল বড় উত্থান হতেও পারে!! 
বাংলাদেশ এখন যে ধরণের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশটি হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনোমিক্স এন্ড বিজনেস রিসার্চ তাদের এক রিপোর্টে এই পূর্বাভাস দিয়েছিলো। 'ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবল ২০২১' নামে এই রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়, সেই একই গবেষণা সংস্থ্যা ২০২৩ সালের রিপোর্টে বলেছে ২০৩৭ সাল হবে বিশ্বের ২০তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ২০২০ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান ছিলো ৪১ নং-এ, বর্তমানে ৩৫, ৩ বছরে এগিয়েছে ৬ ধাপ অর্থাৎ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, তা যদি হয় তবে আমাদের শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?
এই রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৩০ সালে চীন হবে বিশ্বের এক নম্বর বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, আর ভারত হবে তৃতীয়। তার মানে দাঁড়ালো চীন ভারতের বাতাস বাংলাদেশের গায়েও এসে লাগবে। আর ২০৩৫ সাল নাগাদ ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বহু ধাপ উপরে উঠে পৌঁছে যাবে ২৫ নম্বরে, তার ২ বছর পরেই ২০ নম্বরে, কি মনে হয়? বাংলাদেশ কি এগুচ্ছে?
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে গুজব উঠেছিলো বাংলাদেশ শ্রীলংকার মতো দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে, এখন আর তা শোনা যায় না, কারণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সূচক এখন ইতিবাচক। সংকটের মধ্যেও ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি আয় বেড়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। এক কথায় এগিয়ে যাচ্ছে বালাদেশ।
যেসব অর্থনীতিকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে যাবে তার মধ্যে আছে মালয়েশিয়া, মিশর হংকং, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নরওয়ে, আর্জেন্টিনা, ইসরায়েল, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, নাইজেরিয়া, বেলজিয়াম, সুইডেন, ইরান এবং তাইওয়ান। বর্তমান বিশ্ব সূচকে এই দেশগুলো বাংলাদেশের উপরে, কারণ তাদের অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে বড়। তথ্যঃ বিবিসি বাংলা
উন্নয়নের কতটা প্রভাব পড়ছে দেশে!
শহরে কাজের বুয়া কি সহজে পাওয়া যায়? খুবই কম, গ্রামে মজুরও আর সহজে পাওয়া যায় না, একটা রাখাল রাখতে গিয়ে কৃষকের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়? কারণ হলো গার্মেন্ট শিল্পের প্রসার ও প্রবাসে মজুরদের চাকরির সুযোগ। ফলে শহর ও গ্রামাঞ্চলে একটি অর্থনৈতিক বুম ঘটছে। তবে বেশীরভাগ শিক্ষিতরা কিন্তু বেকার!! তারা খুবই অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে, না পারছে নিচে নামতে, না পারছে ওপরে উঠতে, তবে যারা চালাক-চতুর তারা কিন্তু বসে নেই, ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো আয় করছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ভালো প্রভাব পড়ছে, এ ছাড়াও রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক শিল্পের ঘোড়ায় চড়ে ছুটছে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি। তাহলে শেয়ার বাজার কেনো পিছিয়ে থাকবে?
কানাডাভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ দেখিয়েছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৪৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৪৬ হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশের ঠিক আগেই রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও অস্ট্রিয়ার মতো দেশ। আর ঠিক পরেই আছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম, তার মানে আমারা মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম থেকে এগিয়ে আছি। তা যদি হয় শেয়ার বাজার কি পিছিয়ে থাকবে?
দেশের অর্থনীতির সূচকের প্রতিফলন দেখা যায় পুঁজিবাজারে, আমাদের পুঁজিবাজারে আসলে কি তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে? আমি বলবো অবশ্যই না, পতঙ্গ যেমন না বুঝে আগুনে ঝাঁপ দেয় তেমনি আমাদের দেশের অধিকাংশ বিনিয়োগকারী না জেনে, না বুঝে নিজের কষ্টার্জিত জমানো টাকা শেয়ারবাজারে বিনোয়োগ করেন, তাদের অজ্ঞতার সুযোগে কিছু কারসাজীকারক তাদেরকে খুব সহজেই ঠকিয়ে অর্থাৎ ২০টাকার শেয়ার ৩০০টাকায় ধরিয়ে দিয়ে বাজার থেকে টাকা বের করে নেয়, আর সূচক বাড়তে পারে না। আমি বলবো এ দিন আর থাকবে না, যদি সাধারণ বিনিয়োগকারী সচেতন হয়, তবে সচেতনতা বাড়াতে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও শেয়ার বাজার সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে বা এগিয়ে আসতে হবে।
শেয়ার বাজারের একটা গতিবেগ আছে যাকে বলা হয় মোমেন্টাম, যার গতি আছে তা কখনও একটানা চলতে পারে না, যায়, থামে, থেমে যায় আবার চলে বিশ্রামের প্রয়োজন হয়, সেইরূপ আমাদের বাজারের অধিকাংশ শেয়ার ফ্লোরে বিশ্রাম নিচ্ছে, অনেকেই উদ্বেগে আছে, কবে ফ্লোর ছেড়ে উঠে দাঁড়াবে, জীবজন্ত থেকে শুরু করে যে কোনো যানবাহন সবাইকেই বিশ্রাম নিতে হয়, শক্তি নিতে হয়, ফুয়েল নিতে হয়, ফুয়েল নেয়া শেষ হলেই আবারও গতি পায়, মনে স্বস্তি আসে, তেমনি শেয়ার বাজার ফুয়েল নিচ্ছে আবার ভালো হবে, আবারও গতি পাবে ইনশাল্লাহ্।
ভয় নাই যারা ফ্লোরে আটকে আছেন

বাংলাদেশের স্টক মার্কেট সূচকের সাথে যাদেরকে তুলনা করা যেতে পারে

যেসব অর্থনীতিকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে যাবে তার মধ্যে আছে মিশর যার স্টক ইনডেক্স ১৭,০৪৩.৬২, মালয়শিয়া স্টক ইনডেক্স ১৩,৪৫২.৯২, হংকং ১৮,৭৪৬.৯২, তাহলে বাংলাদেশের সূচক ২০,০০০ ছাড়াবে এতে মনে হয় সন্দেহ থাকার কথা না, শুধুই সময়ের ব্যাপার, তাই যারা আজ ভালো শেয়ার কম দামে কিনে ফ্লোরে আটকে যাওয়াও মহা চিন্তায় আছেন, তারা যদি ভাবেব টাকা গুলো ইনভেস্ট করেছেন তাহলে ক’বছর পর যা রিটার্ন দেবে তা আপনাদের কল্পনার বাইরে। তখন আমার কথার সত্যতা বুঝতে পারবেন।
২০১০সালের ডিসেম্বরে ডিএসই সূচক ছিলো প্রায় ৯০০০ সেখানে থেকে কমে ২০১৩ সালের এপ্রিলে ৩৪০০তে এসেছিলো, ১৩ বছরে এখন পর্যন্ত ২০১০ সালের সূচকই ছুতে পারে নাই, অথচ ২০০৮ সালে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সেনসেক্স সূচক ছিলো মাত্র ৭৬৯৭.৩২, ১৫ বছরের ব্যবধানে সেই সূচক আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১,৮৭২.৬২, প্রায় ৯ গুণ, দেউলিয়া দেশ, শ্রীলংকার ইনডেক্স ৮৭৫৫.১৭, বাংলাদেশ পাকিস্তানের উন্নয়নের রোল মডেল, ২০০৯ সালে পাকিস্তানের সূচক ছিলো ৬,২০০.৮৯, সেই পাকিস্তানের স্টক মার্কেট সূচক ১৪ বছর পর এখন ৪১,০২৯.০২, বাড়লো প্রায় ৭ গুণ, সেখানে বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের সূচক মাত্র ৬৩২৫.৭৩ খুবই হাস্যকর নয়কি? বাংলাদেশের সূচক যদি পাকিস্তানের অর্ধেকও ধরি তবে সূচক কমপক্ষে ২০,০০০.০০ হওয়া উচিৎ আপনারা কি বলেন?
বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের ইতিহাস কি বলে?
২০২৪ সাল বড় উত্থান হতেও পারে!!
সামনে ইলেকশন, ইলেকশনের পরে নতুন সরকার আসবে, স্থিতিশীলতা আসবে, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ হয়ে যেতে পারে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি যদি ভালো হয়, তবে আমাদের শেয়ার বাজারও ভালো হবে এছাড়া এতোক্ষণ যে তথ্য উপাত্তগুলোর শেয়ার করলাম তাতে বাজার ভালো হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই প্রবল, বাজার কিন্তু কচ্ছপ গতিতে হলেও ধীরে ধীরে বাড়ছে, ২০১০ সালের ধ্বসের পর সূচক ৩৪০০তে নেমে বর্তমানে ৬৩২৫.৩৭, অর্থাৎ বাজার কিন্তু আপট্রেন্ডে আছে, তবে গতি খুবই কম। এই কচ্ছপ গতির কারণ হলো কারসাজিকারকদের কারণে বেশ কিছু টাকা বাজার থেকে বেরিয়ে গেছে, এখন যদি বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা তৈরী হয়, তবে বাজার আর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা নাই, শেয়ার বাজার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে, আমরা যদি আমাদের শেয়ার বাজারের ইতিহাসের দিকে তাকাই তবে দেখবো ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের বড় উল্লম্ফন হয়েছিলো, তার পরে দেখলাম ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের উল্লম্ফন, যা আমি ইউটিউবে প্রকাশিত ১০ম/১১তম ওয়েবিনারে বলেছি, ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের ব্যবধান ১২ বছর, ১৯৯৬ থেকে ২০১০ সালের ব্যবধান ১৪ বছর, ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল, ব্যবধান ১৪ বছর তার মানে বর্তমান সময় থেকে আগামী ২/৪ বছরের মধ্যে পাকিস্তান-ভারতের মতো আমাদের শেয়ার বাজারে একটা বড় উল্লম্ফন হলেও হতে পারে, সে আশা আমরা করতেই পারি কি বলেন?