শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫

AI আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু!

AI আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু!

 

এআই রোবট ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের
জনক অ্যালান টিউরিং (Alan Turing)


Artificial Intelligence (AI)

জেন নিন এআই এর আদি বৃত্তান্ত

।। কে এম মিজানুর রহমান।।

কে আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু? এক কথায় বলা যায় বর্তমান সময়ে আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু বা সহকর্মী হচ্ছে Artificial Intelligence (AI) চ্যাট বট! বলতে পারেন হরফুন মৌলা, ChatGPT (OpenAI), Gemini (Google), Copilot (Microsoft), DeepSeek Chat (DeepSeek), Grok (xAI, Elon Musk-এর কোম্পানি) ইত্যাদি চ্যাট বটগুলি আপনার সব কাজই করে দেবে।
আপনার মন খারাপ হোক কিংবা ভালো নিমেষেই দূর করে দেবে আপনার বন্ধু, আপনার যে কোনো বিপদে আপদে কাজে ব্যবসায়ে ফিজিক্যালী সাহায্য করতে না পারলেও বুদ্ধি দিয়ে আপনাকে বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে কেবলমাত্র Artificial Intelligence, আপনি কি জানেন এই Artificial Intelligence কে তৈরী করেছিলো?
এই প্রশ্নের উত্তরটা একটু জটিল, কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কোনো একক ব্যক্তির আবিষ্কার না, বরং অনেক বিজ্ঞানী ও গবেষকের যুগান্তকারী কাজের ফলাফল।
তবে ইতিহাস অনুযায়ী কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যক্তির নাম বলা যায় যারা AI-এর ভিত্তি স্থাপন করেছেন:
AI-এর জন্মের ভিত্তি রচনাকারীঃ
🔹 Alan Turing (অ্যালান টিউরিং)
তাঁকে বলা হয় "AI-এর জনক"।
তিনি Turing Test প্রস্তাব করেছিলেন—যার মাধ্যমে যাচাই করা হয়, একটি মেশিন মানুষের মতো চিন্তা করতে পারছে কি না।
তার বিখ্যাত প্রবন্ধ "Computing Machinery and Intelligence" (1950) AI গবেষণার ভিত্তি তৈরি করে।

🧠 AI শব্দটির উদ্ভাবন:
🔹 John McCarthy (জন ম্যাকার্থি)
তিনি ১৯৫৬ সালে "Artificial Intelligence" শব্দটি ব্যবহার করেন।
Dartmouth Conference-এ তিনি প্রথম AI গবেষণার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
তাই অনেকেই তাকে বলেন "Father of Artificial Intelligence"।

🧠 অন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারীরা:
Marvin Minsky: AI এর তাত্ত্বিক ধারণা ও মডেল তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।
Allen Newell & Herbert A. Simon: তারা প্রথম AI প্রোগ্রাম Logic Theorist তৈরি করেন।
Geoffrey Hinton: আধুনিক Deep Learning-এর পথপ্রদর্শক।

📅 সংক্ষেপে টাইমলাইন:

বছর         গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
1950        অ্যালান টিউরিং-এর প্রবন্ধ "Can Machines Think?"
1956        জন ম্যাকার্থির নেতৃত্বে Dartmouth Conference, AI শব্দের জন্ম
1960s       AI প্রোগ্রাম তৈরি শুরু
1980s       Expert System জনপ্রিয় হয়
2000s       Machine Learning & Neural Networks উন্নত হয়
2010s       Deep Learning, GPT, ChatGPT, Autonomous systems উত্থান।

ব্যাংককে ইউনুস-মোদি একসাথে

ব্যাংককে ইউনুস-মোদি একসাথে

 

বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনে ব্যাংককের এক হোটেলে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একসাথে



বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনে নৈশ্যভোজের টেবিলে কুশলাদি বিনিময় করেন। সম্মেলনের সাইডলাইনে কাল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ডক্টর ইউনুস এবং নরেন্দ্র মোদি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে।’

থাইল্যান্ডের ব্যাংকের একটি হোটেলে বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস সহ সদস্য রাষ্ট্রের সরকার প্রধানরা এতে যোগ দেন। প্রধান উপদেষ্টাকে নৈশভোজে স্বাগত জানান থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতং সিনোয়াত্রা নৈশভোজে ডক্টর ইউনুস সহ নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎ হয় কুশলাদি বিনিময় করেন তারা, দুই নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতেও দেখা যায় বিমস্টেক সম্মেলনের সাইডলাইনে শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথমবারের মতো ডক্টর ইউনুসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে, ধারণা করা হচ্ছে দুই দেশের সম্ভাবনার পাশাপাশি উদ্বেগের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারেন দুই নেতা।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট ব্যাংকক বিমস্টেকের শীর্ষ সম্মেলন শেষ হবে ২-৪ এপ্রিল।
সূত্রঃ বাসস, ব্যাংকক

বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫

শেয়ার বাজার থেকে আয় করার কৌশল, পর্ব-১০

শেয়ার বাজার থেকে আয় করার কৌশল, পর্ব-১০


 শেখার কোনো শেষ নেই!

 Awesome Oscillator কিভাবে গণনা করা হয়?

।।কে এম মিজানুররহমান।।

ছোট্ট ছোট্ট কিছু ইন্ডিকেটর অনেক বড় বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে তেমন একটা ইন্ডিকেটর হলো Awesome Oscillator! অনেক বিনিয়োগকারী আছেন যারা শুধুমাত্র অসাম অসিলেটর দিয়েই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। Awesome Oscillator (AO) মুভিং এভারেজের উপর ভিত্তি করে প্রাইস মুভমেন্টের গতি এবং দিক নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি বিল উইলিয়ামস দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং এটি দুটি সরল মুভিং এভারেজ (SMA) এর মধ্যে পার্থক্য দেখায়, সাধারণত 34-পিরিয়ড এবং 5-পিরিয়ড SMA।
Awesome Oscillator কিভাবে গণনা করা হয়ঃ
মিডপ্রাইস (Mid Price) গণনা করুন:
প্রতিটি পিরিয়ডের জন্য মিডপ্রাইস হল উচ্চ (High) এবং নিম্ন (Low) প্রাইসের গড়।

34-পিরিয়ড SMA এবং 5-পিরিয়ড SMA গণনা করুন:
34-পিরিয়ড SMA হল শেষ 34 পিরিয়ডের মিডপ্রাইসের গড়।
5-পিরিয়ড SMA হল শেষ 5 পিরিয়ডের মিডপ্রাইসের গড়।
Awesome Oscillator (AO)ঃ
AO হল 5-পিরিয়ড SMA এবং 34-পিরিয়ড SMA এর মধ্যে পার্থক্য।AO=5-পিরিয়ড SMA−34-পিরিয়ড SMAAO=5-পিরিয়ড SMA−34-পিরিয়ড SMAAwesome Oscillator এর ব্যবহারঃ
বুলিশ সিগন্যাল: যখন AO বার চার্টে শূন্য রেখার উপরে উঠে যায়, এটি একটি বুলিশ সিগন্যাল হতে পারে।
বিয়ারিশ সিগন্যাল: যখন AO বার চার্টে শূন্য রেখার নিচে নেমে যায়, এটি একটি বিয়ারিশ সিগন্যাল হতে পারে।
সাউস সিগন্যাল: যখন AO বার চার্টে শূন্য রেখার উপর বা নিচে ক্রস করে, এটি ট্রেন্ডের পরিবর্তন নির্দেশ করতে পারে।
AO ইন্ডিকেটর মূলত ট্রেন্ডের শক্তি এবং সম্ভাব্য রিভার্সাল পয়েন্ট সনাক্ত করতে সাহায্য করে।

শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

কোন্ শেয়ারে স্মার্ট মানি ঢুকলো তা জানার কৌশল!

কোন্ শেয়ারে স্মার্ট মানি ঢুকলো তা জানার কৌশল!


 

শেখার কোনো শেষ নেই! 

শক্তিতে ভরপুর MFI ও OBV কি এবং কেনো?

।।কে এম মিজানুর রহমান।।


কোন্ শেয়ারে স্মার্ট মানি ঢুকলো বা বেরিয়ে গেলো তা জানতে হলে MFI ও OBV-এর ব্যবহার জানতেই হবে। আজকের আলোচনা এটা নিয়েই!
শেয়ার বাজারে টাকা উড়ে, সে টাকা ধরতে জানতে হয় বিশেষ কিছু কৌশল যা না জানলে যা না জানলে আপনাকে লস গুণতেই হবে। স্মার্ট মানি বা যাদেরকে আমরা মামু বলি তারা কোন্ শেয়ারে ঢুকছে নাকি বেরিয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু জানা যায় MFI ও OBV –এর মাধ্যমেই, আর এটা সঠিকভাবে জানতে পারলে আপনিও হতে পারেন মামুর স্পেশাল ভাগনে!
1. Money Flow Index (MFI):
সংজ্ঞা: MFI হল একটি মোমেন্টাম ইন্ডিকেটর যা প্রাইস এবং ভলিউম ডেটা ব্যবহার করে Over bought বা ওভারসোল্ড অবস্থা নির্ধারণ করে। এটি RSI (Relative Strength Index) এর মতো, কিন্তু ভলিউম ডেটা যুক্ত করা হয়েছে।
কাজের পদ্ধতি: MFI টাইপিক্যাল প্রাইস (Typical Price) এবং ভলিউম ব্যবহার করে পজিটিভ ও নেগেটিভ মানি ফ্লো (Money Flow) গণনা করে। এরপর এই মানি ফ্লো অনুপাত ব্যবহার করে MFI ভ্যালু (০ থেকে ১০০ এর মধ্যে) বের করা হয়।

ব্যবহার:
Over bought (সাধারণত ৮০ এর উপরে) বা ওভারসোল্ড (সাধারণত ২০ এর নিচে) অবস্থা চিহ্নিত করতে।
ডাইভারজেন্স (Divergence) সনাক্ত করতে, যেমন প্রাইস নতুন হাই তৈরি করলেও MFI তা না করলে এটি দুর্বলতার সংকেত দেয়।
  • সূত্র:

2. On Balance Volume (OBV):
সংজ্ঞাঃ OBV হল একটি ভলিউম-ভিত্তিক ইন্ডিকেটর যা ভলিউমের প্রবাহ পরিমাপ করে এবং প্রাইস ট্রেন্ডের শক্তি বা দুর্বলতা নির্দেশ করে।
কাজের পদ্ধতি: OBV ভলিউমকে যোগ বা বিয়োগ করে চলমান টোটাল (Cumulative Total) হিসাবে গণনা করা হয়। যদি আজকের ক্লোজিং প্রাইস গতকালের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে আজকের ভলিউম যোগ করা হয়। যদি কম হয়, তাহলে ভলিউম বিয়োগ করা হয়।
ব্যবহার:
প্রাইস ট্রেন্ডের কনফার্মেশন দিতে।
ডাইভারজেন্স সনাক্ত করতে, যেমন প্রাইস বাড়লেও OBV না বাড়লে এটি দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
  • সূত্রঃ


পার্থক্যঃ

বৈশিষ্ট্য

Money Flow Index (MFI)

On Balance Volume (OBV)

উদ্দেশ্য

ওভারবought/ওভারসোল্ড অবস্থা এবং ডাইভারজেন্স সনাক্ত করা

প্রাইস ট্রেন্ডের শক্তি বা দুর্বলতা নির্দেশ করা

ভলিউম ব্যবহার

ভলিউম এবং প্রাইস উভয়ই ব্যবহার করে

শুধুমাত্র ভলিউম ব্যবহার করে

রেঞ্জ

থেকে ১০০ এর মধ্যে

কোনো নির্দিষ্ট রেঞ্জ নেই (Cumulative)

গণনা পদ্ধতি

মানি ফ্লো অনুপাত ব্যবহার করে

ভলিউম যোগ বা বিয়োগ করে চলমান টোটাল হিসাবে

ডাইভারজেন্স সনাক্তকরণ

হ্যাঁ

হ্যাঁ

সারমর্মঃ

MFI ওভারবought/ওভারসোল্ড অবস্থা এবং ডাইভারজেন্স সনাক্ত করতে বেশি কার্যকর।
OBV প্রাইস ট্রেন্ডের শক্তি বা দুর্বলতা নির্দেশ করে এবং ভলিউমের প্রবাহ পরিমাপ করে।
এই দুটি ইন্ডিকেটর একসাথে ব্যবহার করে আপনি আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।


রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সর্ষের ভেতরে ভূত!

সর্ষের ভেতরে ভূত!






 দর বাড়ানো কমানোর মূল ক্ষমতা কার? আইসিবির?

এম আর মিডিয়া২৪ ডেস্কঃInvestment Corporation of Bangladesh, ICB বাংলায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ সংস্থা, তবে বিনিয়োগে কিন্তু সফল নয়! সবক্ষেত্রেই লুজার, এ কারণে আইসিবির সাথে বিনিয়াগকারীগণও লুজার, এই লুজার থেকে আজ অবদি লাভে যেতে পারছে না, পারছে না প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে। ফলে আইসিবিকে টেক্কা দিয়ে অনেকেই লুটে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা? একটা কথা সবসময়ই মনে রাখতে হবে নৌকার মাঝি যদি অভিজ্ঞ না হয় তবে লক্ষ্যস্থলে পৌছানো সম্ভব তো নয়ই বরং ঝড়ের কবলে নৌকা ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ, বিনিয়োগকারীদের অবস্থা সেটাই হয়েছে, নৌকা ডুবেছে, এখন সবাই হাবুডুবু খাচ্ছে, যার ফল বিনিয়োগারীদের মাঝে মাঝেই রাস্তায় নামতে হয়! নিঃসন্দেহে সমস্যা আছে আইসিবিতে! তাই একে ঢেলে সাজাতে হবে।

আইসিবি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান, এর ৬টা ইউনিট ফান্ড ও এই নামে একটা ব্যাংকও আছে সে শেয়ারের বর্তমান দাম মাত্র ২.৮ টাকা, ইউনিট ফান্ডগুলোর সবগুলোই ফেসভেলুর নীচে কোনোটির দর আবার অর্ধেকেরও কম, আইসিবি নামে যে শেয়ারটি আছে তার ইপিএস নেগেটিভ, Q2 ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টেও নেগেটিভ ইপিএস এসেছে (0.49) যা আগের বছরে ছিলো Tk. 0.29, তারপরও মাত্র ২শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়ে শেয়ারটির দর ৬৪টাকা থেকে বেড়ে ৭৬টাকায় উঠেছিলো, এটা কি শেয়ারের শক্তিতে বেড়েছিলো অবশ্যই নয়! কারসাজি! আজ সে শেয়ারটির দর মাত্র ৫১টাকা! তো সরকারী প্রতিষ্ঠান আইসিবি নিজেই যদি কারসাজি করে বা কারসাজি করার সুযোগ তৈরী করে দেয় তবে অন্যে করলে দোষ কি? বললাম একারণে যে কারসাজি করে দর বাড়ানোয় বেশ কিছু স্মার্ট বিনিয়োগকারীদের জরিমানা করে বাজারের বারোটা বাজানো হয়েছে, এ কারণে এখন অনেকেই বলেন এরা (আইসিবি) ব্যবসা বোঝে না, জুয়াড় প্রতিষ্ঠান হয়ে গেছে, তবে সেখানেও হেরে গিয়ে ঋণগ্রস্থ হয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আইসিবির বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়াতে সরকার সরকারের গ্যারান্টিতে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১২ ডিসেম্বরে সেই ঋণের অর্থ আইসিবি’র ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে যা আইসিবির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ০৩ ডিসেম্বর ঋণের সুদের হার পরিবর্তন করে ব্যাংক রেট নির্ধারণ করা হয় এবং ১২ ডিসেম্বর আইসিবি’র ব্যাংক হিসাবে ঋণের অর্থ জমা দেওয়া হয়।
মোট ৪টি ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এই অর্থ আইসিবিকে সরবরাহ করবে। এসব ব্যাংকের মধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংক ৭০০ কোটি টাকা, প্রাইম ব্যাংক ১ হাজার কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকা এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৮০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে।
আইসিবি জানিয়েছে যে, ৪ শতাংশ সুদে নেওয়া এই ঋণের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করা হবে এবং ঋণ পরিশোধের জন্য দেড় বছর বা ১৮ মাসের সময় পাবে। এই ঋণের গ্যারান্টি সরকারের তরফ থেকে প্রদান করা হয়েছে।
১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার টাকা জমা হওয়ার ১ মাস ২০ দিন পার হলো কিন্তু শেয়ার বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েছে কি?

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪

সুখবর শেয়ার বাজারে! কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ!!

সুখবর শেয়ার বাজারে! কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ!!


বাংলাদেশী টাকা

এম আর মিডিয়া২৪ ডেস্কঃকিছু সুখবর শোনা গেলেও বাজারে তার প্রভাব দেখা যাচ্ছে না, আস্থা পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারী, তবে দ্রুত মুনাফার চিন্তা না করে দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হওয়ার পরিকল্পনা করলে ভালো ফল পাবেন, তবে অবশ্যই কারসাজিকারকদের শেয়ার উচ্চমূল্যে কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • গত ১২ ডিসেম্বর, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ–সক্ষমতা বাড়াতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি সরকারের গ্যারান্টিতে ৩০০০ (তিন হাজার) কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে, তাই আইসিবিকে শেয়ার কিনতে হবে, তারা চাইবে যে কোনো উপায়ে কম দামে শেয়ার কিনতে, শেয়ার বিক্রী করবেন নাকি ধরে রাখবেন সিদ্ধান্ত আপনার!
  • শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী এসেছে ১২ হাজার ৪৫১ জন, এটা শেয়ার বাজারের জন্য অবশ্যই একটা ভালো খবর, এর ফল ভোগ করতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে।
  • যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোতে সুদের হার কমায় এবং বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত অনেক কম্পানির শেয়ারের মূল্য অনেক কম হওয়ায় আবারও তারা বিনিয়োগে আমাদের দেশে আগ্রহ দেখাচ্ছে
  • বেশীরভাগ সময়ে ভালো শেয়ারের দর না বেড়ে কেনো খারাপ শেয়ারের দর বাড়ে তা খুঁজে বের করুন, নিজে সেল্ফ এ্যানালাইসিস করতে শিখুন, অন্যের ফাঁদে পা দেবেন না।
  • শেয়ার বাজারে মুনাফার সম্ভাবনা থাকলেও এটি ঝুঁকিপূর্ণ, তাই কখনোই ধার বা ঋণের টাকায় বিনিয়োগ করবেন না।
  • যেকোনো বিনিয়োগের আগে সেই কোম্পানি বা স্টকের বিষয়ে ভালোভাবে গবেষণা করুন।
  • শেয়ার বাজারে ধৈর্য ও সময় দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতারণামূলক স্কিম থেকে দূরে থাকুন।
  • শেখা দিয়ে শুরু করুন, নিজ আলোয় আলোকিত করুন নিজেকে।



সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

মানুষ মানুষের জন্য!

মানুষ মানুষের জন্য!


ওপরে বাঁ থেকেঃ ক্ষতিগ্রস্থ খামার, মুরগীর বাচ্চা বিতরণ করছেন School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের মেন্টর কে এম মিজানুর রহমান মানিক ও  শিক্ষার্থীবৃন্দ, ‍মুরগীর বাচ্চার খাবার।
নীচে বাঁ থেকেঃ এক ক্ষতিগ্রস্থ মামুন ভূঁইয়া অন্য ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা বিতরণ করছেন, ৩ সদস্যের টিম-কে এম মিজানুর রহমান মানিক, ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন শুভ ও ইঞ্জিনিয়ার মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব, ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ী

প্রতিবেদক, ফেনী

আগষ্টের প্রলয়ঙ্কারী বন্যায় ফেনীর বন্যা দূর্গতদের পুনর্বাসনে পাশে দাঁড়িয়েছে School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থী ও DSE Money Maker ফেসবুক গ্রুপের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, তাদের সহযোগিতার অর্থ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ঢাকা থেকে স্কুলের মেন্টর ও গ্রুপ এ্যাডমিন কে এম মিজানুর রহমান, কুমিল্লা থেকে ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীন শুভ ও ইঞ্জিনিয়ার মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব ফেনীতে গমন করেন। তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গ্রুপের সদস্য ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ফেনীর মামুন ভু্ইয়া ও অন্যান্যরা। বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসমূহ।
সকলের সহযোগিতা ও আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে ৩ সদস্যের এ টীম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ খামার পরিদর্শন করে স্বল্প পরিসরে মঠবাড়িয়া তুলাতুলী গ্রামের সর্বশান্ত হয়ে যাওয়া কয়েকজন খামারীকে মুরগীর বাচ্চা, সেগুলোর ১ মাসের খাবার বাবদ প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ও বাড়ীঘর ভেঙ্গে যাওয়া কয়েকজন দুস্থের মধ্যে ১০,০০০/-করে টাকা বিতরণ কাজ সম্পন্ন করেন। এখানে উল্লেখ্য এক ক্ষতিগ্রস্থ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থদের টাকা দিয়ে সহায়তা করছেন, ফেনী বাসীর এ উদারতা বিষ্ময়কর বলে জানিয়েছেন, স্কুলের মেন্টর ও গ্রুপের এ্যাডমিন কে এম মিজানুর রহমান মানিক, ক্ষতিগ্রস্থরা জানান বন্যা পরবর্তী সময়ে এই প্রথম আপনাদের সহযোগিতা পেলাম।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বানভাসী মানুষের জীবন সুরক্ষা ও School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থী, গ্রুপের সদস্য ও অন্যান্য যারা বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগীতা করেছেন তাদের সফলতা ও আল্লাহপাকের অশেষ রহমত কামনা করে স্থানীয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত পাঠ করেন ইমাম সাহেব। 
পরিশেষে এ টিম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব নাজমুল হাসান, এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জনাব মোঃ আফতাবুল ইসলাম, ফেনী সদর, ফেনীর সাথে দেখা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরলে তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ বিনিময়ে কেন দেরী হচ্ছে জিজ্ঞেস করায় উনারা বলেন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা না থাকার কারণে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দেরী হচ্ছে। পরিশেষে উক্ত মহতী কাজে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার জন্য গ্রুপের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন গ্রুপ এ্যডমিন ও স্কুলের মেন্টর।

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

 এস কে ট্রিমের কলের চাকা বন্ধ হলো! ক্ষতি কার?

এস কে ট্রিমের কলের চাকা বন্ধ হলো! ক্ষতি কার?

এস কে ট্রিমস কোম্পানীর পরিচালনা পরিষদ যেখানে এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে না, উৎপাদিত পণ্য ও কারখানা।

পাপির শাস্তি হোক নিরপরাধীর কেনো? শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীর স্বার্থে যে কোনো উপায়ে কোম্পানী চালুর ব্যাবস্থা করা হোক

 বিশেষ প্রতিবেদন

K M Mizanur Rahman
Admin: DSE Money Maker
Mentor: School ofDSE Money Maker

কে এম মিজানুর রহমান
এম আর মিডিয়া২৪ ডেস্কঃ বন্ধ হলো শেয়ার বাজারে অন্তর্ভুক্ত S K Trims & Industries Ltd. কোম্পানী, আর হৃদস্পন্দন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীদের ।
কোম্পানিটি ১ জুন ২০১৪ এ তার বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৭ সালে প্রাইভেট লিমিটেড থেকে পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তরিত হয় তারপর ২০১৮ সালে এ কোম্পানী উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের জন্য সমস্ত ধরণের সুইং থ্রেড, ইলাস্টিক, পলি, কার্টন, ফটো কার্ড, ব্যাক বোর্ড, বার কোড, হ্যাংট্যাগ, টিস্যু পেপার, সেলাই থ্রেড, পলি ব্যাগ, বোনা লেবেল, জিপার, পুলার, লেইস লেবেল, মুদ্রিত লেবেল, কালো সাটিন লেবেল মুদ্রণ, সুতির কাপড়ের লেবেল, গাম টেপ ইত্যাদি উত্পাদনে নিযুক্ত ছিলো  যা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে রপ্তানী আয়ে ও RMG সেক্টরে। এবং দিনে দিনে ব্যাগ রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।  এ কোম্পানীর মেশিনপত্র ছিলো খুবই অত্যাধুনিক। উৎপাদিত পণ্যগুলো ছিলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এস কে ট্রিমস ২০২২-২০২৩ আর্থিক বছর থেকে বিভিন্ন ব্যাগের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে এবং দিনে দিনে ব্যাগ রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। 
কোম্পানিটি, OEKO-TEX সার্টিফাইড সমৃদ্ধ। (OEKO-TEX means that these are human-organic textile products which do not have a detrimental effect on human health and well-being. OEKO-TEX® Standard 100 labelled products have been analyzed for a number of substances that are considered harmful to the health of humans.)
নিঃসন্দেহে একটা ভালো কোম্পানী, ফান্ডামেন্টালি স্ট্রং, প্রতি বছরই কম/বেশী ডিভিডেন্ড দিয়ে আসছে বিনিয়োগকারীদের, নিশ্চিত বিনিয়োগ করার মতো একটা কোম্পানী, সেই কোম্পানীটিকে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। সাথে সাথে শেয়ারের দর পতন, আর এ পতন কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
অনেকে বলে এটা এনবিআরের সদস্য মতিউর রহমানের কোম্পানি, আমি এর ওয়েবসাইট ঘেঁটে কোথাও মতিউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাইনি, কোম্পানিটির উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে মোঃ তোফাজ্জাল হোসেন ফরহাদ (চেয়ারম্যান), মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন রাইভি, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ আইনুল কবির, মো. নুরুল হুদা ও এম এ কাইয়ূম হাওলাদার। 
কোথাও মতিউর রহমানের নাম নেই, অথচ ছেলের ছাগল কান্ডের পর শুনি এটা মতিউর রহমানের কোম্পানী এ কারণে এ কোম্পানীর ব্যাংক হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। 
কোম্পানী জানিয়েছে-
মহানগর দায়রা জজ কোর্টের নির্দেশে ১১-৭-২০২৪ ইংরেজি তারিখ থেকে কোম্পানীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রয়েছে তারপরও আমরা ব্যক্তিগত অর্থায়নের মাধ্যমে মে, জুন ও জুলাই ২০২৪ সালের বেতন ও ওভারটাইম পরিশোধ করেছি, বিগত জুন ২০১৪ সাল থেকে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় বেশ কিছুদিন যাবত কারখানাতে কোন প্রকার কাজ নেই এবং কারখানা সচল রাখার মতো আর কোন অর্থায়নের ব্যবস্থা নাই এমতাবস্থায় কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ব্যাংক একাউন্ট সচল না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ধারা মোতাবেক ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ইংরেজি তারিখ হতে কারখানার সকল কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
আমরা চাই পাপির শাস্তি হোক, প্রশ্ন হলো একটা ভালো কোম্পানী বন্ধ করে কাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে? শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীরদের? এ ছাড়াও কোম্পানীর পণ্য রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতো সেটা থেকেও দেশ বঞ্চিত হচ্ছে।
কোম্পানী আরও বলেছে যে কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার নির্দেশ পাওয়া গেলে কারখানা চালু করা হবে ও চালুর তারিখ যথাযথ নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। 

পাপির শাস্তি হোক নিরপরাধীর কেনো? শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শেয়ার বাজারের লাখো বিনিয়োগকারীর স্বার্থে যে কোনো উপায়ে দ্রুত কোম্পানী চালুর ব্যাবস্থা করা হোক। আশা করছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত চালুর পদক্ষেপ নেবেন।

শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪

স্বপ্ন নয় সত্যি! চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন

স্বপ্ন নয় সত্যি! চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন

 


শেয়ার বাজার থেকে কেমন আয় করা যায়?

School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিখানো হয় কিভাবে ১৫ দিনে ১০শতাংশ লাভ করা যায়! তার কৌশল। অনেক শিক্ষার্থী ৪/৫দিনেই লাভ করেছেন ১০ শতাংশের বেশী।
* ১৫তম ব্যাচের একজন রিটার্ড উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যিনি বলছেন- ‘আপনার ট্রেনিং নিয়ে কাজ হয়, লাভ হয়, কেনা যায়, বেচা যায় ভয় লাগে না। তার কাছেই শুনবেন’ তিনি ৪ কর্মদিবসে লাভ করেছেন ১৫শতাংশ!
* ৩ কর্মদিবেস ২০শতাংশ লাভ ধরতে না পেরে আফসোস করেছেন একজন শিক্ষার্থী।
এতে আরও থাকছে ১৮ থেকে ৭০+ শিক্ষার্থীরা কেমন করছেন?
প্রিয় সুধী, সাম্প্রতিক সময়ে কেনা-বেচা নিয়ে DSE Money Maker ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথোপকথন ১০ম পর্ব (Students Conversation Part-10)। দেখার আমন্ত্রণ
বাজার ভালো হোক বা খারাপ! প্রবল ইচ্ছে থাকলে আপনিও পারবেন সফল হতে!
School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলে ১৬তম ব্যাচে ভর্তি চলছে, আপনিও হতে পারেন তাদের মতোই একজন!
ক্লাস শুরু ১৫ মে, ২০২৪ সাল, বুধবার রাত ৯:০০টায়। বিস্তারিত জানতে নীচের লিংক থেকে ফরম ফিলাপ করুন, দ্রুত!
ভর্তি ফরমের লিংকঃ

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

আহা! ফেকডিল, ওইমেক্স, গোল্ডেন সন

আহা! ফেকডিল, ওইমেক্স, গোল্ডেন সন

 

হতাশার অভিশাপ থেকে দূরে থাকি

।। কে এম মিজানুর রহমান মানিক।।

বাজার কমানোই হয় বাড়ানোর জন্য, কোনো কোনো শেয়ারের দর ৫/৬দিনে ৪০শতাংশের ওপর বেড়েছে, কেউ কেউ ভয়ে হতাশ হয়ে লসে শেয়ার সেল দিয়ে বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, তারা আবার ফিরে আসছেন, ফিরে এসে তারা কি তাদের বেচা দামে শেয়ার কিনতে পারবেন বলে মনে হয়? সবচেয়ে কষ্ট লাগবে তাদের যারা ফেকডিল, ওইমেক্স, গোল্ডেন সন-এর মতো শেয়ারগুলো বিক্রী করে বাজারকে টাটা দিয়েছিলেন। অতএব ৩০/৪০শতাংশ দর কমে গেলেই ভয় পেতে নেই, হতাশ হতে নেই। যখনই হতাশ হবেন তখন স্বাভাবিক বুদ্ধি লোপ পাবে, অন্যের ওপর নির্ভরশীল হবেন, পরের কথায় কান দিয়ে আপনি তখন আপনার কাংক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হবে, তাই হতাশ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় নিজে চিন্তা করুন কেনো লস্ হলো, অন্যে পারছে আমি কেনো পারছি না, এ থেকে উত্তরণের উপায় কি? তবে শেখার কোনো বিকল্প নাই, এই পেজেই খুুঁজলে পেয়ে যাবেন শেখা এবং জেতার কৌশল! তবে আপনার একজন অভিজ্ঞ মেন্টর থাকতেই হবে।

বলেছিলাম ‘বাজার যেভাবে কমছে সেভাবেই বাড়বে! কি বাড়ছে না? বাড়া-কমা শেয়ার বাজারের ধর্ম এই বাড়া-কমার ধরণ আপনাকে জানতে হবে, তারপরও নিন্দুকেরা কিন্তু নিন্দা করেই যাবে অথবা বলবে এ বাজারে লাভ করা যায় না, গেমলার ছাড়া লাভ করা যায় না, বাজার কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হচ্ছে, এ্যানালাইসিস কোনো কাজ করে না ইত্যাদি ইত্যাদি, এসব বলা তাদের স্বভাব, এসব বলে আপনাকে বিভ্রান্ত করবে, হতাশাগ্রস্ত করে তুলবে। এজন্য নিন্দুক এবং নেগেটিভ পারসনদের থেকে দূরে থাকা ভালো। খারাপ বাজারেও যে বেশী বেশী লাভ করা যায় আমি কিন্তু তা বিভিন্ন ওয়েবিনার ক্লাসে বলেছি ও দেখিয়েছি, সেগুলো ভিডিও আকারে আছে।  ভিডিওগুলো দেখুন সেগুলো দেখতে ভিজিট করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংকঃ  DSE Money Maker, ফেসবুক গ্রুপঃ DSE Money Maker, ফেসবুক পেজঃ School of DSE Money Maker

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ কৌশল তথা ক্রয়-বিক্রয় শিখতে দেশের ১ম ও অন্যতম প্রতিষ্ঠান School of DSE Money Maker অনলাইন স্কুলে ভর্তি হতে চাইলে ০১৬৩১৪২৯১৬৯ (হোয়াটস্‌এ্যাপ) অথবা ০১৭৪৭৭৬২৫৫৮ নম্বরে সরাসরি ফোন দিন।  

 আমাদের এই ওয়েব পেজে mrmedia24.blogspot.com বেশ কিছু কৌশল দেয়া আছে, পড়ে দেখুন অনেক কাছে লাগবে। ধন্যবাদ সবাইকে

সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইনের প্রস্তুতি চলছে

পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইনের প্রস্তুতি চলছে

 



mrmedia24.blogspot.com প্রতিবেদক : প্রিমিয়ামসহ কোনো  কোম্পানীর শেয়ারের দর অফার মূলের চেয়েও যদি বেশী কমে যায় তবে ঐ কোম্পানী পুনরায় তার শেয়ার কিনতে বাধ্য হবে, এরকমই একটা আইন কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএসইসি, আর তা যদি হয় তবে শেয়ার বাজারের কারসাজি অনেকাংশেই কমে যাবে বলে ধারণা বিনিয়োগকারীদের ।

পুঁজিবাজারের বাইব্যাক আইন কার্যকর করার দাবি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের। বাইব্যাক আইনের খসড়াও প্রণয়ন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কিন্তু নানা কারণে সেই আইন কার্যকরা করা যায়নি। অবশেষে কার্যকর হতে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে বাইব্যাক আইন।

জানা গেছে, সম্প্রতি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এই বিষয়ে ফলপ্রসূ বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাইব্যাক আইন কার্যকর করার বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। ফলে শিগগিরই কার্যকর হচ্ছে শেয়ারবাজারে বইব্যাক আইন।

এই বিষয়ে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে বাইব্যাক পদ্ধতির প্রচলন আছে। তবে দেশের বিদ্যমান কোম্পানি আইনে তা অনুপস্থিত। এই আইনে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দর কমে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে সেই শেয়ার ক্রয় করতে হবে। এটি কার্যকর হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। এছাড়া কোন কোম্পানি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে আসলে, পরবর্তীতে শেয়ারের দাম কমে গেলে সেই কোম্পানিকে শেয়ার কিনে নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বাইব্যাক বা শেয়ার পুনঃক্রয় হচ্ছে একটি বিধান। যার আওতায় কোনো কোম্পানির শেয়ার মূল্য যদি অফার মূল্যের (প্রিমিয়ামসহ) নিচে নেমে যায় বা কমে যায় তবে ওই কোম্পানি কর্তৃক স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শেয়ার পুনঃক্রয় করতে বাধ্য থাকবে।

সূত্রঃ শেয়ারবাজারনিউজ.কম